পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল আরও কমেছে। রয়টার্সের ১১ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার এই প্রণালি দিয়ে মাত্র সাতটি জাহাজ চলাচল করেছে। আগের দিন সংখ্যাটি ছিল ১১টি। গত ১০ দিনের গড় ১৫টির তুলনায়ও এই সংখ্যা অনেক কম।
আরও পড়ুন:
জাহাজ পর্যবেক্ষণ সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, সাতটি জাহাজের মধ্যে দুটি প্যানাম্যাক্স জাহাজ প্রণালি ছেড়েছে।
একটিতে ছিল সার, অন্যটি ছিল খালি। অন্য পাঁচটি জাহাজ প্রণালিতে ঢোকে। এগুলোর মধ্যে শুকনো পণ্যবাহী প্যানাম্যাক্স, ইস্পাতবাহী হ্যান্ডিসাইজ, শস্যবাহী হ্যান্ডিসাইজ, তেলজাত পণ্যবাহী মাঝারি আকারের ট্যাঙ্কার এবং শুকনো পণ্যবাহী সুপ্রাম্যাক্স জাহাজ ছিল। তবে পরিচয় গোপন রাখতে স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা বন্ধ রাখা জাহাজ এই হিসাবে নেই।আরও পড়ুন:
এদিকে কাতারএনার্জি-সম্পর্কিত দুটি খালি জাহাজ—আল গাশামিয়া ও আল দায়েন—৬ ও ৯ সেপ্টেম্বর হরমুজে দেখা গেছে।
আর আল মারুনা ১০ সেপ্টেম্বর রাস লাফান থেকে পাকিস্তানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস নিয়ে প্রণালি পেরিয়েছে। জুলাইয়ের শেষের পর এটিই ছিল কাতার-সংযুক্ত ট্যাঙ্কারে প্রথম জানা গ্যাসবাহী চালান।আরও পড়ুন:
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ এই পথ ব্যবহার করত। বিশ্বের দৈনিক অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথে যেত।
আরও পড়ুন:
এদিকে লোহিত সাগরে ইরান-সমর্থিত হুথিরা বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের মোখা বন্দর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে উপকূল ধরে কৌশলগত দ্বীপগুলোর দিকে অগ্রসর হয়েছে। বাব-এল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে একই দিন ২৬টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে, যা গত ১০ দিনের প্রায় ২৭টির গড়ের কাছাকাছি।