পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার ক্ষেত্রে আবারও সাফল্য পেল বাংলা। পশ্চিমবঙ্গের ঝুলিতে এল আরও ১২ টি জিআই স্বীকৃতি। কেন্দ্র সরকারের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টি ফিকেশন ওয়েবসাইটের রেজিস্টার্ড তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ১২ টি ঐতিহ্যবাহী পণ্য।
আরও পড়ুন:
নতুন জিআই স্বীকৃতি পাওয়া পণ্যের তালিকায় যেমন রয়েছে চন্দননগরের জলভরা থেকে শুরু করে জনাইয়ের মনোহরা, তেমনিই রয়েছে শান্তিনিকেতনের বাটিক এবং শান্তিনিকেতনের একতারা। এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে, বাঁকুড়া থেকে বেলিয়াতোড়ের মেচা সন্দেশ।
এছাড়াও রয়েছে হটোগ্রামের শাঁখা শিল্প ও বিক্রমপুরের বেঙ্গল সিঙ্গিং বোল। হুগলি থেকে বলাগড়ের নৌকা ও চন্দনগরের জলভরাও এই জিআই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এছাড়াও জিআই তালিকায় জায়গা পেয়েছে কলকাতার কলকাত্তি গয়না, পূর্ব বর্ধমানের নতুন গ্রামের কাঠের পুতুল, মুর্শিদাবাদের সিল্ক, মালদহের আশাপুরের বেগুন, পুরুলিয়ার লাক্ষা। এই ১২ টি যেমন জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে তেমনি বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে মালদহের নবাবগঞ্জের বেগুন। এছাড়াও রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষীরপাইয়ের বাবরশা মিষ্টি এবং শান্তিনিকেতনের আলপনার আবেদন। এগুলি দ্রুত জিআই ট্যাগ পেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, ১৫ টি ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জন্য আবেদন জানানো হয়েছে জিআই ট্যাগের স্বীকৃতি পেতে। তবে ইতিমধ্যেই ১২ টি স্বীকৃতি পেয়েছে। বাকি তিনটির ক্ষেত্রে দ্রুত স্বীকৃতি মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এগুলি নিয়ে আবেদন করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস চেয়ার প্রফেসর পিনাকী ঘোষ এবং তাঁর সহকারী গবেষক দল। এছাড়াও সহযোগিতা করেছেন বীরভূমের বাসিন্দা অধ্যাপক শুভদীপ মণ্ডল। তিনি জানান, এরফলে ঐতিহ্য সংরক্ষণ যেমন সম্ভব হবে, তেমনি কারিগরদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যবসার বাজার সম্প্রাসণ সম্ভব হবে।