পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ দেশে অসামরিক বিমান পরিবহনে যেন দুর্যোগের ঘনঘটা। রেহাই মিলছেনা কিছুতেই।স্পাইস জেটের পর এবার ইন্ডিগো আর ভিস্তারা।
আরও পড়ুন:
বেশি টাকা দিয়ে যাত্রীরা বিমানের টিকিট কেনেন। তবে বেসরকারি বিমানসংস্থা গুলির পরিষেবার নামে যেন সেই হাতে রইল পেন্সিলের মত অবস্থা। স্পাইস জেটের পর এবার কাঠগড়ায় ইন্ডিগো, ভিস্তারার মত নামী বেসরকারি বিমানসংস্থা।
দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পরেই নাকি বন্ধ হয়ে যায় ভিস্তারার বিমানের ইঞ্জিন। ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার। ব্যাঙ্কক থেকে দিল্লিগামী ইউকে-১২২ বিমান দিল্লি বিমানবন্দরের রানওয়ের মাটি ছোঁয়ার পর মুহূর্তেই ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়।ব্যাঙ্কক থেকে দিল্লিগামী ইউকে-১২২ বিমানটিকে এরপর কার্যত বিমানটিকে ট্যাক্সি বে থেকে টেনে নিয়ে যেতে হয় পার্কিংয়ের জায়গায়।আরও পড়ুন:
এখানেই শেষ নয় বুধবার বিকেলে ছত্তীশগড়ের রায়পুর বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে যায় ইন্ডিগোর একটি বিমান। কিন্তু অবতরণের সময় ইঞ্জিন থেকে দেখা যায় কালো ধোয়া।
যদিও বিমানটি নিরাপদেই অবতরণ করে। গোটা ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। মাত্র আঠেরো দিনের ব্যবধানে আটটি বিমান গোলোযোগের ঘটনা। স্পাইস জেট বিমান সংস্থাকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দিল ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন বা ডিজিসিএ। একের পর এক বিভ্রাট ঘটেই চলেছে এই বেসরকারি বিমান সংস্থার বিমানে।আরও পড়ুন:
মঙ্গলবারেই যান্ত্রিক গোলযোগের জন্য দিল্লি থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড়ে যাওয়া এই স্পাইসজেটের বিমানকে জরুরি অবতরণ করাতে হয় করাচি বিমানবন্দরে।
পাকিস্তানের বিমানবন্দরে প্রায় ১১ ঘন্টা আটকে থাকতে হয় যাত্রীদের।একই দিনে চিনগামী বিমানেরও রেডারে গোলযোগ ধরা পড়ে।আরও পড়ুন:
গত ৫ জুলাই স্পাইসজেটের চিনগামী বিমানের রেডারে ধরা পড়ে গোলযোগ। এরপরেই ওই বেসরকারি বিমানসংস্থাটিকে কারন দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিসে ডিজিসিএ জানিয়েছে স্পাইসজেট বিমান সংস্থা দক্ষ, নিরাপদ যাত্রী পরিষেবা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এই নোটিশ কে ট্যাগ করে নিজের মন্তব্যে লিখেছেন “ যাত্রী নিরাপত্তাই আমাদের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার”। উল্লেখ্য গত ১লা এপ্রিল থেকে বুধবার ৬ জুলাই পর্যন্ত একের পর এক বিভ্রাট ঘটে চলেছে।স্পাইসজেটের এই বিমানগুলির মধ্যে রয়েছে সাতটি যাত্রীবাহি এবং একটি কার্গো বিমান।
আরও পড়ুন:
স্পাইসজেট, ইন্ডিগো, ভিস্তারা একের পর এক বিমান সংস্তার এই বেহাল অবস্থা আসলে ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহনের কঙ্কালসার চেহারাটাকেই সামনে নিয়ে আসছে ।