পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আসামের নগাঁও লোকসভা আসনের আসন্ন উপনির্বাচনে সর্বভারতীয় সংযুক্ত ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (AIUDF)-এর প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দলের সুপ্রিমো তথা বিন্নাকান্দি কেন্দ্র থেকে জয়ী বিধায়ক বদরুদ্দিন আজমল। মঙ্গলবার দলের তরফ থেকে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। এই ঘোষণার ফলে নগাঁওয়ের রাজনৈতিক ময়দানে বিজেপি, কংগ্রেস এবং এআইইউডিএফ-এর মধ্যে এক হাড্ডাহাড্ডি ত্রিমুখী লড়াই নিশ্চিত হয়ে গেল।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বরের ঠিক একদিন আগে আজমলের প্রার্থিতা নিয়ে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটায় এআইইউডিএফ নেতৃত্ব।
নগাঁও লোকসভা আসনটিতে ঐতিহ্যগতভাবেই কংগ্রেসের শক্ত ঘাঁটি ছিল। তবে ২০২৬ আসাম বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের তৎকালীন সাংসদ প্রদ্যোত বরদলৈ ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় এই আসনটি শূন্য হয় এবং উপনির্বাচন আবশ্যিক হয়ে পড়ে।
প্রাক্তন আমলা দেবাশীষ শর্মাকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। সরকারি চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নেওয়ার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখেন এবং বিজেপিতে যোগ দেন। নগাঁও অঞ্চলে তাঁর প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকে হাতিয়ার করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চায় শাসকদল। বটদ্রবার প্রাক্তন বিধায়ক শিবামণি বরাকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। নগাঁও-বটদ্রবা অঞ্চলে তাঁর পরিচিত মুখ ও জনসংযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের পুরনো গড় পুনরুদ্ধার করাই জাতীয় কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য। বদরুদ্দিন আজমলের মতো প্রভাবশালী নেতার আত্মপ্রকাশের ফলে বিরোধী ভোট ভাগাভাগির নতুন অংক তৈরি হয়েছে, যা কংগ্রেস ও বিজেপি উভয়ের জয়ের হিসাবকেই ওলটপালট করে দিতে পারে।