মক্কার কাছে ড্রোন হামলার চেষ্টাকে ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করে কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল সৌদি আরব। রিয়াদের দাবি, মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করতেই পবিত্র মক্কার কাছে এ ধরনের পরিকল্পিত উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইয়েমেনের ইরানপন্থী হুতি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
আরও পড়ুন:
বুধবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনীর মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, হুতিদের ‘শত্রুতাপূর্ণ প্রচেষ্টা’ তাদের লঙ্ঘনের তালিকায় আরও একটি ‘কালো অধ্যায়’ হিসেবে থেকে যাবে।
তাঁর অভিযোগ, লাখো মুসলমানের অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পিত কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। হুতিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকারও করেন তিনি।আরও পড়ুন:
ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ৫৭ সদস্যের ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সংস্থাটির বক্তব্য, পবিত্র স্থান ও মসজিদের মর্যাদা লঙ্ঘনের পাশাপাশি এ ধরনের হামলার চেষ্টা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে।
আরও পড়ুন:
মক্কার কাছে ড্রোন ভূপাতিত করার ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন সৌদি আরব ও ইয়েমেনের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে বাড়ছে।
রিয়াদের অভিযোগ, চলতি সপ্তাহের শুরুতে হুতিরা সৌদি আরবের একাধিক শহর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ওই হামলায় খামিস মুশাইত, আভা ও তাইফ শহরে ১৩ জন বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে দাবি সৌদির।আরও পড়ুন:
এর আগে রবিবার সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দায় স্বীকার করেছিল হুতিরা। পাল্টা হিসেবে গোষ্ঠীটির দাবি, শনিবার ও মঙ্গলবার ইয়েমেনে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকায় সৌদি বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে সামরিক তৎপরতা আরও জোরদার করেছে হুতিরা। নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার পরিধিও বাড়ানোর দাবি করেছে তারা। গত সপ্তাহে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের একটি বন্দরনগরী এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবিও করেছে হুতি গোষ্ঠী।