পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে 'ভারত জোড়ো' যাত্রা। দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি থেকে বৃহস্পতিবার এই বার্তা দিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সোনিয়া গান্ধি।
আরও পড়ুন:
২০২৪-এর নির্বাচনকে সামনে রেখে কংগ্রেস ভারত জোড়ো যাত্রার সূচনা করেছে। বুধবার থেকে শুরু হয়েছে এই যাত্রা। বৃহস্পতিবার এই যাত্রার দ্বিতীয় দিন। দক্ষিণের কন্যাকুমারী থেকে শুরু হয়ে ১৫০ দিনের ১২টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পার করে ৩,৫৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ পদযাত্রা করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:

এই যাত্রায় প্রথম সারিতে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি। আজ দ্বিতীয় দিনে রাহুল কন্যাকুমারিকার অগস্তীশ্বরম থেকে তাঁর পদযাত্রা শুরু করার আগেই ট্যুইট করে এই মন্তব্য করেন সোনিয়া।
আরও পড়ুন:
সদ্য প্রয়াত হয়েছেন সোনিয়া গান্ধির মা। শারীরিক কারণে অসুস্থ সোনিয়াও। সম্প্রতি ইটালিতে শারীরিক পরীক্ষার জন্য আছেন তিনি। এদিন ভারত জোড়ো যাত্রার আগে একটি ট্যুইট করে সোনিয়া বলেন, 'ভারত জোড়ো যাত্রা কংগ্রেসের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই পদযাত্রা কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনে একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করবে। এটি ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে একটি পরিবর্তনমূলক মুহূর্ত হতে চলেছে'। আমি শারীরিক পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি, তার জন্য আমি এই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারছি না। যারা শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে পারবেন না তারা চিন্তা ও চেতনায় ভারত জোড়ো যাত্রায় অংশ নেবেন।
আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার শপথ নিই'।আরও পড়ুন:
কংগ্রেসের তরফ থেকে একটি ট্যুইট করে বলা হয়, 'তিরঙ্গা সমস্ত ভারতীয়কে একত্রিত করে। দেশকে একত্রিত করার জন্য তিরঙ্গাকে স্যালুট জানিয়ে আমাদের দ্বিতীয় দিনের যাত্রা শুরু হবে'। এদিন সকালেই রাহুল গান্ধি একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে রাহুলকে দলের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন:
কর্মসূচির প্রথম দিনেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধি একটি ট্যুইট করে বলেন, 'আমরা ইতিবাচক রাজনীতি শুরু করতে যাচ্ছি। আপনাদের কথা শুনতে আসছি। আপনাদের সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।
আমাদের ভালোবাসার দেশকে আমরা জুড়তে চলেছি। আসুন ভারতকে একসূত্রে বাঁধি'।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, সম্প্রতি একের পর এক সিনিয়র নেতার দলত্যাগের সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছে কংগ্রেস। দলের সঙ্গে দীর্ঘ বহু বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে বেরিয়ে এসেছেন গুলাম নবি আজাদ। আর তারপরেই দল ছেড়েছেন আরও নেতৃত্বরা। তার পরেই 'ভারত জোড়ো' কর্মসূচির ডাক দেয় কংগ্রেস।
আরও পড়ুন:
তবে এই ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রাকে নিশানা করতে ছাড়েনি বিজেপি। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, '১৯৪৭-এ এই দলের জন্যই দেশভাগ হয়েছে। এখন আবার তারা এই ‘ভারত জোড়ো’ যাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে। ভারত ঐক্যবদ্ধই রয়েছে'।