পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: বিহারে জাতি সার্ভে  নিয়ে আপত্তিকারীরা সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আবার এক ধাক্কা খেল। প্রথমে জাতি গণনা কাজে আপত্তি জানিয়ে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল। এখন রিপোর্ট প্রকাশে স্থাগিতাদেশ চাইলে সুপ্রিম কোর্ট এবারও গুরুত্ব দিল না। সুপ্রিম কোর্টে স্থগিতাদেশ  পেল না আপত্তিকারীরা। তবে সাত দিনের মদ্যে তাদের আপত্তি জানানোর সময় বেঁধে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
পুনরায় ২৮ আগস্টের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।

এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট প্রকাশে স্থগিতাদেশ চাইলে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে রিপোর্ট নিয়ে কেন আপত্তি সেটা পরিষ্কার করতে পারছে না। আপত্তির কোনও কারণই দেখতে পাচ্ছি না। উল্লেখ্য, বিহারে বর্ণ ও জাতি ভিত্তিক জনগণনা হিন্দুত্ববাদীদের কাছে বিড়ম্বনার বিষয় বলে অনেকে  মনে করেন। কেননা এই সার্ভেতে বিহারে উচ্চ বর্ণ ও নিম্নবর্ণের বিশেষ করে তফসিলি জাতি-উপজাতি, ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষের সংখ্যা ও অবস্থান আলাদা করে জানা যাবে বর্ণবাদী বা উচ্চবর্ণের মানুষ সংখ্যার যথেষ্ট কম এটা প্রমাণিত হয়ে পড়ার ভয় রয়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।
তাই শেষ পর্যন্ত এই রিপোর্ট প্রকাশে আপত্তি জানানো হবে। পাটনা হাইকোর্ট বাধা দেয়নি। তাই ভরসা ছিল সুপ্রিম কোর্টের উপর কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ?

খান্না ও বিচারপতি এস ভি এম ভাটির বেঞ্চ এই সার্ভে রিপোর্ট নিয়ে প্রথম দিন থেকেই স্থগিতাদেশে রাজি হয়নি। আপত্তিকারীদের আইনি যুক্তি সার্ভের দায়িত্ব কেন্দ্রের,  রাজ্য সরকার করতে পারে না।
আর এরফলে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ হয়ে পড়তে পারে। যদিও বিহার সরকার জানিয়েছে, তারা ব্যক্তিগত রিপোর্ট প্রকাশ করবে না. সমস্ত তথ্য বিহার জাতি আধারিত গণনা বা বিজাগা অ্যাপে রক্ষিত থাকবে। রাজ্যের প্রশাসনিক কাজে ব্যবহার হবে এই তথ্য বিশেষ করে তফসিলি জাতি-উপজাতি ও ওবিসিদের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে সুবিধা হবে এই তথ্য, এই যুক্তিকে মান্যতা দিয়েছে হাইকোর্টও। ফলে অনেকটা?? আপত্তিকারী এনজিও ও সংস্থাগুলি। যেহেতু রিপোর্ট প্রকাশে বাধা রইল না, তাই মনে করা হচ্ছে যে কোনও সময়ে এই রিপোর্ট প্রকাশ করে বিজেপিকে বেকায়দায় ফেলতে পারে নীতীশ কুমার সরকার।