পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ায় হ্যালোইন উৎসবের আগেই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল কমপক্ষে ১৪৯ জনের। ১৫০ জনের বেশি গুরুতর আহত। শনিবার স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে রাজধানী সিওলের ইতায়েওন এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে।

সিউলের ইয়ংসান ফায়ার ডিপার্টমেন্টের প্রধান চোই সিওং-বিওম বলেছেন, শতাধিক মানুষকে সিওলের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তিনি জানিয়েছেন, ১৩টি দেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। ৪৬ জনের দেহ রাস্তায় পড়ে ছিল।

প্রথমে ৫৯ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। পরে তা বেড়ে হয় ১৪৬.

ঘটনাস্থলের কয়েকটি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে দেখা যাচ্ছে অ্যাম্বুলেন্সগুলি রাস্তায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে।বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা আহতদের স্ট্রেচারে নিয়ে যাচ্ছেন। জরুরি বিভাগের কর্মীরা এবং পথচারীরা রাস্তায় পড়ে থাকা লোকজনকে সিপিআর দিয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। https://twitter.com/allkpop/status/1586375670740832258?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1586375670740832258%7Ctwgr%5Eec0cbb8facfa38ecb272189bd217288011ca6096%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fbangla.aajtak.in%2Fworld%2Fstory%2Fleast-120-dead-100-injured-after-halloween-crowd-surge-seoul-abk-464505-2022-10-30

৩১ অক্টোবর হ্যালোউইন।

তা উদ্‌যাপনের জন্য রাজধানী সিওলের প্রাণকেন্দ্রে একটি বাজারে কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন মানুষজন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, শনিবার রাতে সিওলের আইটেওন জেলায় ওই বাজারে প্রায় লক্ষ লোকের ভিড় হয়েছিল। একটি সঙ্কীর্ণ গলিতে কয়েকশো দোকানের ভিতর বহু ক্রেতা ছিলেন। রাস্তায়ও জমায়েত ছিল। সে সময়ই এই বিপর্যয় ঘটে। অনেকে তীব্র আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। হ্যালোইন উৎসব উদযাপনকারীদের কাছে রাজধানী সিওলের ইথেওন এলাকা খুবই আকর্ষণীয় জায়গা।
শনিবার রাতে ওই এলাকায় লাখোধিক মানুষ সমবেত হয়েছিলেন। ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ায় হ্যালোইন উৎসব বন্ধ ছিল। এরপর এবারই প্রথম এই উৎসব হয়, যেখানে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা ছিল না। ‘মৃত আত্মাদের স্মরণে’ প্রতিবছর অক্টোবরের শেষে হ্যালোইন উৎসব হয়।

ঘটনাস্থলের পাশেই একটি বাড়িতে অস্থায়ী মর্গ তৈরি করা হয়েছে। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুইজন বিদেশিও রয়েছেন। তবে হতাহত ব্যক্তিদের মধ্যে কোন কোন দেশের নাগরিকেরা রয়েছেন, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

দুর্ঘটনার পরপরই ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক এক ট্যুইট বার্তায় বলেছেন- ‘সিওলের আজ ভয়াবহ রাত। এই দুঃসময়ে আমাদের সব চিন্তা-ভাবনা ও সমর্থন দক্ষিণ কোরিয়ানদের সঙ্গে।