পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ ভিন্ রাজ্য থেকে বাংলায় অস্ত্রশস্ত্র ঢুকছে বলে দিন কয়েক আগেই সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্য থেকে অস্ত্রশস্ত্র ঢোকানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। পুলিশ ও গোয়েন্দাদেরও সতর্ক করেন। এবার পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ কার্তুজ।
আরও পড়ুন:
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বিকেলে শহর কলকাতার প্রাণকেন্দ্র জনবহুল ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ডে। ধৃত ব্যক্তির নাম রামকৃষ্ণ মাইতি।
সে বর্ধমানের কেতুগ্রামের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, এ দিন জেলা থেকে ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছয় একটি সরকারি বাস। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগে থেকেই সেখানে মোতায়েন ছিলেন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স(এসটিএফ)। বাস থেকে নামতেই সন্দেহভাজন যুবককে পাকড়াও করেন এসটিএফ আধিকারিকরা।আরও পড়ুন:
তল্লাশিতে তাঁর কাছ থেকে শতাধিক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারের পাশাপাশি মেচেদার বাসের টিকিট পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে দেখা যায় ওই যুবককে বেশ কিছুক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদও করেন এসটিএফ আধিকারিকরা।
পাশাপাশি চারিদিক থেকে ঘিরে রেখে কাগজপত্রে সই করানো হয়।আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাদের কাছে আগাম খবর ছিল। সেই মতো ধর্মতলা বাস স্ট্যান্ডে সাদা পোশাকে অপেক্ষা করা হচ্ছিল। সন্দেহভাজন যুবক সরকারি বাস থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই হাতেনাতে ধরা হয় তাঁকে।
আরও পড়ুন:
এর আগে, শিয়ালদা বৈঠকখানা বাজারে একাধিকবার অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। ভিন্ রাজ্য থেকে অস্ত্র আনা হচ্ছিল সেই সময়।
কিন্তু এদিন যে যুবককে পাকড়াও করা হয়েছে, তিনি রাজ্যেরই জেলা থেকে এসেছেন।আরও পড়ুন:
কলকাতার ব্যস্ততম বাসস্ট্যান্ড ধর্মতলায়। সেখানে বিপুল পরিমাণ কার্তুজ নিয়ে নামেন ওই যুবক। ওই বিপুল পরিমাণ কার্তুজ কোথায় যাচ্ছিল, কোথা থেকে এল ওই বিপুল পরিমাণ কার্তুজ উঠছে প্রশ্ন। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত যুবকের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়নি বলে জানা গেছে। তাহলে কি আগেই আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, এখন গুলি নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, উঠছে প্রশ্ন। এর আগেও একাধিক বার কলকাতায় এমন অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়, করা হয় ধরপাকড়। তারপরও কেন আটকানো যাচ্ছে না অস্ত্র কারবারিদের রমরমা। কলকাতা কি তাহলে অস্ত্র পাচারের সেফ প্যাসেজ হয়ে উঠছে, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
আরও পড়ুন: