পুবের কলম প্রতিবেদক: প্রফেসর সৈয়দ মানাল শাহ্ আল কাদরীর স্মরণে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ফারসি ডিপার্টমেন্টে মঙ্গলবার একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। বিভাগের সমস্ত শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। এম এ প্রথম বর্ষে অধ্যায়নরত ছাত্র আজিজুস সাইখের মনোমুগ্ধকর কোরআনের তেলাওয়াতের মাধ্যমে স্মরণসভার সূচনা করা হয়। ডিপার্টমেন্টের সমস্ত শিক্ষকরা পর পর প্রফেসর মানাল শাহ্ আল কাদরীর সম্পর্কে নিজেদের বক্তব্য পেশ করেন।
আরও পড়ুন:
প্রধান প্রফেসর আশরাফ আলী মরহুম অধ্যাপক সম্পর্কে বলেন তিনি বহুমুখী ব্যক্তিত্বের ও প্রতিভার অধিকারী হওয়ার সাথে সাথে একজন আদর্শ শিক্ষক ছিলেন। তিনি আরবি ও ফারসি দুটো ভাষায় অত্যন্ত পারদর্শী একজন ব্যক্তি ছিলেন। দুটি ভাষায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেছিলেন।
আরও পড়ুন:
২০০৬ সালে আরবি ও ফারসি ভাষার অভূতপূর্ব উন্নতি সাধনের জন্য রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে ভূষিত হন।
তিনি তাঁর দীর্ঘ শিক্ষকতার জীবনে ছাত্র ও শিক্ষকদের জন্য পথপ্রদর্শক নীতিমালা রয়েছে। ডিপার্টমেন্টের আরেক স্বনামধন্য অধ্যাপক ড. সাগির আহমাদ মরহুম প্রফেসর সম্পর্কে নিজের মতামত উপস্থাপন করতে গিয়ে বলেন তিনি বিভিন্ন ভাষায় সাবলীল ছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তাঁর অনন্য ব্যক্তিত্বের কারণেই তাঁকে ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রদূত করা হয়েছিল।আরও পড়ুন:
এরপর ডিপার্টমেন্টের অতিথি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান সাহেব প্রফেসর সম্পর্কে বলতে গিয়ে বলেন ছাত্ররা অধীর আগ্রহে ক্লাসে প্রফেসরের আগমনের অপেক্ষা করত এবং তাঁর লেকচার খুব উপভোগ করত।
তিনি খুব সময়নিষ্ঠ ছিলেন। তাই শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও ক্লাসে তাঁর অনুপস্থিতি খুবই কম হতো।আরও পড়ুন:
সভার শেষ পর্বে মরহুম প্রফেসরের সুযোগ্য পুত্র এবং মাওলানা আজাদ কলেজের ফারসি ডিপার্টমেন্টের প্রধান সৈয়দ ইকবাল শাহ্ আল কাদরী নিজের প্রিয় পিতা সম্পর্কে আরও তথ্য প্রদান করতে গিয়ে বলেন,
আরও পড়ুন:
অধ্যাপক কাদরী সাহেব ১৯৬৬ সালে কলকাতা ইউনিভার্সিটির আরবি-ফারসি বিভাগে প্রভাষক হিসাবে নিযুক্ত হন। তারপর স্যার আশুতোষ কলেজে প্রফেসর অফ ইসলামিক কালচারাল হিসেবে ১৯৯৮ থেকে নিউ ২০১০ পর্যন্ত নিয়োজিত ছিলেন। তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ও ফারসি ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নিজের কর্মদক্ষতা প্রকাশ করেন। ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত ফ্যাকাল্টি অফ আর্টসের ডীন ছিলেন।