আরও পড়ুন:
কোয়াম্বাটুরের ডিস্ট্রিক্ট কলেক্টরের মাধ্যমে মেয়ের জন্য জাত-ধর্মহীন শংসাপত্রের আবদেন করেন। তবে তহশিলদার অফিস থেকে তাঁদের বলা হয়- এর ফলে জাত-ধর্ম সম্পর্কিত সরকারি সুবিধাগুলি থেকে বঞ্চিত হবেন তাঁরা।
নরেশ কার্তিক ও তাঁর স্ত্রী গায়ত্রী জানিয়ে দেন সরকারি সুবিধার তাদের প্রয়োজন নেই।
কিন্তু গোল বাধে সন্তান কে স্কুলে ভর্তি করানোর সময়। সমস্ত স্কুলই জানিয়ে দেয় ধর্ম ও জাতি ব্যতিরেকে স্কুলে করা যাবেনা।আরও পড়ুন:
সন্তানের জাত-ধর্ম পরিচয় উল্লেখ করবেন না স্কুলে ভরতির ফর্মে। অবশেষে সেই লড়াই জিততে চলেছেন তাঁরা। কারণ এতদিনে শিশু ভিলমার সরকারি ‘জাত-ধর্মহীন শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন তাঁরা। জাত,ধর্মের পরিচয় ছাড়াই মানুষ হিসেবে বড় হবে ভিলমার।
আরও পড়ুন: