বিশেষ প্রতিবেদন: গাজা ইস্যুতে ইসরাইলের পক্ষে সংবাদ প্রচারের অভিযোগ উঠেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিরুদ্ধে। ফিলিস্তিনিদের দুর্দশার চিত্র লুকিয়ে রেখে ইসরাইলের হয়ে খবর করতে ও প্রোপাগান্ডা চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন সিএনএনের প্রধান সম্পাদক মার্ক থম্পসন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। ইসরাইলি হামলাকে প্রথম থেকেই সমর্থন দিয়ে আসছে আমেরিকাসহ পশ্চিমা বিশ্ব।
সঙ্গে যোগ হয়েছে পশ্চিমা গণমাধ্যমের পক্ষপাতগ্রস্ত সংবাদ পরিবেশন।আরও পড়ুন:
এবার ইসরাইলের পক্ষে ও হামাসকে কটাক্ষ করে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ নিয়ে মুখ খুলেছেন স্বয়ং সিএনএন সংবাদকর্মীরা। ইসরাইল-হামাস যুদ্ধ শুরুর দুই দিন পরই সিএনএনের প্রধান সম্পাদক ও প্রধান কার্যনির্বাহীর পদে যোগ দেন মার্ক থম্পসন।
সেসময় ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের জন্য কিছু সম্পাদকীয় নীতি নির্ধারণ করেন তিনি।আরও পড়ুন:
যার মধ্যে রয়েছে, প্রতিবেদন ও প্রোপাগান্ডা চালিয়ে গাজায় ইসরাইলি হত্যাযজ্ঞকে ধামাচাপা দেওয়া ও গণহত্যার পক্ষে বিভিন্ন অবান্তর যুক্তি তুলে ধরা। হামাসকে কটাক্ষ করে গাজার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টাও করেছে সিএনএন। থম্পসনের এমন নীতিকে সাংবাদিকতার অপব্যবহার মনে করছেন খোদ সিএনএনের সংবাদকর্মীরা।
অক্টোবরের শেষদিকে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত হয়েছিল প্রায় তিন হাজার শিশু।আরও পড়ুন:
এর সাথে স্থল অভিযান শুরুর পরিকল্পনা ছিল তেল আবিবের। সেসময় সিএনএন সংবাদকর্মীদের দুই পৃষ্ঠার একটি নির্দেশিকা দেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। এতে, হামাসের কারণেই যুদ্ধ শুরু হয়েছে এমন লেখালেখি করা ও হামাসকে বিশ্ব দরবারে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরার নির্দেশ ছিল।
আরও পড়ুন:
থম্পসনের নীতিতে ক্ষুব্ধ আর উদ্বিগ্ন সংবাদকর্মীরা জানান, হামাস নেতাদের সাক্ষাৎকার প্রকাশেও ছিল বিধিনিষেধ। গাজায় ইসরাইলি গণহত্যার প্রকৃত চিত্র প্রকাশ করা যাবে না, এমন পরিকল্পনা থেকে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীরা যুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহ করতে যাননি। ইসরাইলের প্রতি মার্ক থম্পসনের বিশেষ টান রয়েছে, এমন তথ্যও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুন: