পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক : নির্বাচনের ফলাফলে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় পাকিস্তানে জোট সরকার অবশ্যম্ভাবী। এমতাবস্থায় সেনার সহায়তায় জোট বাঁধতে রাজি হয়েছে ৭৫ আসনে জয়ী নওয়াজ শরিফের দল পিএমএল-এন ও ৫৪ আসন পাওয়া বিলাওয়াল ভুট্টোর দল পিপিপি। তবে এই দুই দলের মধ্যে জোট সরকার নিয়ে নানা বিষয়ে দর কষাকষি চলছে। রবিবার রাতে এই দুই দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘পাকিস্তানকে বাঁচাতে’ দুই দলই সম্মত হয়েছে।আরও পড়ুন:
পিপিপি এবং পিএমএল-এনের নেতারা সরকার গঠনের ক্ষেত্রে ক্ষমতা ভাগাভাগির কথা ভাবছেন। এর অংশ হিসেবে সংবিধান অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের জন্য তারা সরকার গঠন করবেন। এই পাঁচ বছরের মধ্যে ‘আড়াই বছর করে’ পিএমএল-এন এবং পিপিপি’র প্রার্থী প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।
অর্থাৎ অর্ধেক সময় প্রধানমন্ত্রী থাকবেন বিলাওয়াল আর বাকি মেয়াদে থাকবেন শাহবাজ অথবা নওয়াজ শরিফ।আরও পড়ুন:
নির্বাচনের ফল ঘোষণার মধ্যেই পিপিপি’র কাছ থেকে শর্ত দেওয়া হয়, জোট গঠন করে ক্ষমতায় আসতে চাইলে বিলাওয়াল ভুট্টোকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে। কিন্তু নওয়াজের দল প্রাথমিকভাবে এই শর্ত মেনে নেয়নি। উপায় না থাকায় এখন ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে দুই দল।
প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়াও পিপিপি এবং পিএমএল-এন অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিষদ আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে। তবে, এ দুটি দলের সঙ্গে কোনও আলোচনা বা জোট গঠনের সম্ভাবনার কথা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন ইমরান খানের দল পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর আলী খান।
আরও পড়ুন: