পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: সেজে উঠেছে অযোধ্যা । এখন অপেক্ষা কেবল ২২ জানুয়ারির। চূড়ান্ত প্রস্তুতির মাঝে ফের একবার আমন্ত্রণপত্র বাটোয়ারা নিয়ে বিবাদে জড়ালেন ট্রাস্ট কতৃপক্ষ।  রাম মন্দির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র অন্য কাউকে পাঠানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কাশীর ডোমরাজ পরিবার। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আমন্ত্রণ পত্রের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা।
অথচ অনিল চৌধুরি নামে তাঁদের এক কর্মচারি আমন্ত্রণপত্র পায়। তাও আবার ডোমরাজ পরিবারের নামে। যার সঙ্গে আমাদের পরিবারের কোনও সম্পর্ক নেই। জানা গেছে, হরিশ্চন্দ্র ঘাট শ্মশানে কর্মরত অনিল’কে এদিন রামমন্দিরে আসার জন্য আমন্ত্রণপত্র পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাম মন্দির ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত সর্বভারতীয় সান্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বামী জিতেন্দ্রানন্দ এবং বেশ কয়েকজন সদস্য। যা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে কাশীর ডোমরাজা ওম চৌধুরি।

হিন্দু শাস্ত্র মতে, কাশীতে হিন্দু দেবতা রামের পূর্বপুরুষ রাজা হরিশচন্দ্র কাল্লু ডোমের কাছে  বিক্রি হয়েছিলেন। সেই থেকে কাশীতে তিন রাজার ঐতিহ্য। একজন শিব ঠাকুর, অন্যজন  কাশী নরেশ এবং তৃতীয়জন ডোমরাজা। বর্তমানে ডোমরাজার সিংহাসনে আছেন ১৯ বছরের ওম চৌধুরি। বাবা জগদীশ চৌধুরির মৃত্যুর পর ডোমরাজার স্বীকৃতি পেয়েছেন ওম।
  জগদীশ চৌধুরিকে সামাজিক কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে মরণোত্তর পদ্মশ্রীও দেওয়া হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

ঘটনাপ্রসঙ্গে  ওম চৌধুরির আত্মীয় শারদা দেবী বলেন, আমাদের পরিবার যুগযুগ ধরে রামের সেবা করে আসছে। রাম অন্ত জীবন আমাদের। শাস্ত্র মোতাবিক যিনি ডোমরাজার সিংহাসনরত তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শামিল হওয়ার যোগ্য। অথচ ওম’কে বাদ দিয়ে অনিল কি ভাবে আমন্ত্রণপত্র পেল তা সত্যি অবাক করার মতো।  বিষয়টা ঠিক এই রকম-রাজা হল কেউ, সিংহাসনে বসল অন্য কেউ।