মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান ফাতিহ বিরোল সতর্ক করে জানিয়েছেন, হরমুজ় প্রণালীতে ইরানের অবরোধের ফলে এপ্রিল মাসে তেল সরবরাহে বিঘ্ন মার্চের তুলনায় দ্বিগুণ হতে পারে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে ইউরোপের অর্থনীতিতে।
আরও পড়ুন:
আইইএ-র মতে, ইতিমধ্যেই প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল সরবরাহ কমে গিয়েছে। পাশাপাশি, জেট ফুয়েল ও ডিজেলের ঘাটতি সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে উঠছে।
এশিয়ায় এর প্রভাব দেখা গেলেও খুব শিগগিরই ইউরোপেও তা ছড়িয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা।আরও পড়ুন:
বিশ্বের মোট তেল পরিবহণের প্রায় ২০ শতাংশই হয় হরমুজ় প্রণালী দিয়ে। কিন্তু চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত অবরুদ্ধ। ফলে কুয়েত, ইরাকের মতো উপসাগরীয় তেল রফতানিকারক দেশগুলিও উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ় প্রণালীর অবরোধ না তুললে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও তেল স্থাপনায় বড় আঘাত হানা হতে পারে।
তবে এই হুমকিকে গুরুত্ব দেয়নি তেহরান। বরং পাল্টা জবাবের ইঙ্গিতও দিয়েছে তারা।এই পরিস্থিতিতে আইইএ-র আশঙ্কা, জ্বালানি ঘাটতির সবচেয়ে বড় ধাক্কা খাবে গরিব দেশগুলি। কারণ সীমিত তেল ও গ্যাসের জন্য বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় তারা পিছিয়ে পড়বে। ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।