০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরম সংকটে নোংরা জল পান, অসুস্থ শিশুরা

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ প্রবল তাপ প্রবাহে পুড়ছে দেশের একাংশ। রাজধানী দিল্লির তাপমাত্রাও মাত্রা ছাড়িয়েছে। তাপ প্রবাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জল সংকট। দিল্লিতে সরকার নির্দেশিকা জারি করে ঘোষণা করেছে জলের অপচয় করলে ২ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। রাজধানীতে জল এতোটাই মহার্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, কখন পুরসভার জলের ট্যাঙ্ক আসবে, সেই আশাতে সকাল থেকে সময় গুনছে দিল্লিবাসী।

দেশের রাজধানীতেই জলের জন্য যখন এই ধরনের হাহাকার তখন প্রত্যন্ত এলাকার অবস্থা আরও করুণ। যেখানে সাধারণত অবস্থাতেই নাগরিক পরিষেবা নড়বড়ে সেখানে এই ধরনের পরিস্থিতি হাহাকার পড়ে গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের অমরাবতি এলাকার মারিয়ামপুর গ্রামের কথা।  এখানকার বাসিন্দারা মাইলে পর মাইল হেঁটে গিয়ে মাটি খুঁড়ে জল বের করছে। সেই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। এই ঘটনা জানার পর এখনও পর্যন্ত উদাসীন প্রশাসন।

স্থানীয় এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, “ভোর চারটে সাড়ে ৪টে নাগাদ হেঁটে ভালো জায়গা খুঁজতে হয়। সেখানে ২-৩ ঘন্টা সময় নিয়ে মাটি খুঁড়তে হয়। তারপরে লাইন দিয়ে জল নিয়ে হয়। জল নেওয়ার পর ওই গর্ত আবার বুজে দেওয়া হচ্ছে। তবে এই জল এতটাই অপরিস্কার যে বাচ্চা খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তবে কোনও উপায় নেই, এই জল খেয়েই আমাদের চলতে হবে। আমাদের এখানে কোনও ট্যাঙ্কার আসে না, জলের জন্য অন্য কোনও ব্যবস্থা নেই। এই খেয়েই আমাদের জীবন চালাতে হবে।

যদিও এই অবস্থা মহারাষ্ট্রে বিভিন্ন গ্রামে দেখা যাচ্ছে। এমনকী রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ-সহ দেশের একাধিক প্রান্তে দেখা যাচ্ছে। জল সংকটের সমস্যা আজকের নয়, প্রতিবছরই এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন অসংখ্য দেশবাসী। কিন্তু এই নিয়ে কার্যত নির্বিকার কেন্দ্র সরকার। এমনকী এই নিয়ে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস কোনও মন্তব্য করেনি।

 

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

ইরানে ট্রাম্পের সামরিক ক্ষমতা সীমিত করতে কংগ্রেসে প্রস্তাব, ভোট চলতি সপ্তাহে

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চরম সংকটে নোংরা জল পান, অসুস্থ শিশুরা

আপডেট : ৩১ মে ২০২৪, শুক্রবার

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ প্রবল তাপ প্রবাহে পুড়ছে দেশের একাংশ। রাজধানী দিল্লির তাপমাত্রাও মাত্রা ছাড়িয়েছে। তাপ প্রবাহের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জল সংকট। দিল্লিতে সরকার নির্দেশিকা জারি করে ঘোষণা করেছে জলের অপচয় করলে ২ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। রাজধানীতে জল এতোটাই মহার্ঘ্য হয়ে উঠেছে যে, কখন পুরসভার জলের ট্যাঙ্ক আসবে, সেই আশাতে সকাল থেকে সময় গুনছে দিল্লিবাসী।

দেশের রাজধানীতেই জলের জন্য যখন এই ধরনের হাহাকার তখন প্রত্যন্ত এলাকার অবস্থা আরও করুণ। যেখানে সাধারণত অবস্থাতেই নাগরিক পরিষেবা নড়বড়ে সেখানে এই ধরনের পরিস্থিতি হাহাকার পড়ে গিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গেছে, মহারাষ্ট্রের অমরাবতি এলাকার মারিয়ামপুর গ্রামের কথা।  এখানকার বাসিন্দারা মাইলে পর মাইল হেঁটে গিয়ে মাটি খুঁড়ে জল বের করছে। সেই জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে শিশুরা। এই ঘটনা জানার পর এখনও পর্যন্ত উদাসীন প্রশাসন।

স্থানীয় এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, “ভোর চারটে সাড়ে ৪টে নাগাদ হেঁটে ভালো জায়গা খুঁজতে হয়। সেখানে ২-৩ ঘন্টা সময় নিয়ে মাটি খুঁড়তে হয়। তারপরে লাইন দিয়ে জল নিয়ে হয়। জল নেওয়ার পর ওই গর্ত আবার বুজে দেওয়া হচ্ছে। তবে এই জল এতটাই অপরিস্কার যে বাচ্চা খেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়ছে। তবে কোনও উপায় নেই, এই জল খেয়েই আমাদের চলতে হবে। আমাদের এখানে কোনও ট্যাঙ্কার আসে না, জলের জন্য অন্য কোনও ব্যবস্থা নেই। এই খেয়েই আমাদের জীবন চালাতে হবে।

যদিও এই অবস্থা মহারাষ্ট্রে বিভিন্ন গ্রামে দেখা যাচ্ছে। এমনকী রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ-সহ দেশের একাধিক প্রান্তে দেখা যাচ্ছে। জল সংকটের সমস্যা আজকের নয়, প্রতিবছরই এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন অসংখ্য দেশবাসী। কিন্তু এই নিয়ে কার্যত নির্বিকার কেন্দ্র সরকার। এমনকী এই নিয়ে দেশের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস কোনও মন্তব্য করেনি।