পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: জেল থেকেই ভোট দিলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran khan) । আজ পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচন। বন্ধ আছে ইন্টারনেট পরিষেবা। ইমরান খান জেলবন্দি, সেইসঙ্গে নির্বাচনে লড়াইয়ের অধিকার নেই পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইসলামের (Tehreek-e-Islam) অনেক নেতারই। অশান্তির আশঙ্কায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবাও।
আর্থিক দুরাবস্থা, রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যে চলছে নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে লড়তে পারছেন না প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Former Prime Minister Imran Khan) । আপাতত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন নওয়াজ শরিফ (Nawaz Sharif) । নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক অশান্তির আশঙ্কা করছে প্রশাসন। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই ভোটগ্রহণ একটানা চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।#WATCH | Voters arrive at a polling booth in Islamabad, as parliamentary general elections get underway in Pakistan.
(Source: Reuters) pic.twitter.com/twAWVomysU
— ANI (@ANI) February 8, 2024আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
এদিকে, কারাগার থেকেই নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ইমরান খান। তবে তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবি ভোট দিতে পারেননি। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক বন্দিরা আদিয়ালা জেল থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন।
তবে ইমরান খানের স্ত্রী বুশরা বিবি ভোটে অংশ নিতে পারেননি। কারণ পোস্টাল ভোটিং প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত এবং গ্রেফতার করা হয়। সামগ্রিকভাবে আদিয়ালা কারাগারের ১০০ জনেরও কম বন্দি ভোট দিতে সক্ষম হয়েছেন, যা এই কারাগারের ৭ হাজার বন্দির মধ্যে মাত্র এক শতাংশ। কারাগার সূত্র জানায়, ইমরান খানের স্ত্রী ও প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি বুশরা বিবিও পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁকে আটক করার সময় এভাবে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হওয়ার কারণে তাঁর অনুরোধ গ্রহণ করা যায়নি। বুশরা বিবির মুখপাত্র মাশাল ইউসুফজাই জানিয়েছেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীকে কারাগার থেকে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুন:
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হলেন পাকিস্তানের সেনা প্রধান আসিম মুনীর, নওয়াজ শরিফ ও বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি। গত ২০১৮ সালের নির্বাচনে সবথেকে বেশি সংখ্যক ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিল ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ। তবে এবারের নির্বাচনে পিটিআই-র স্বীকৃতিও বাতিল করে দিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুন: