০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক হিসাবে জ্ঞানেশ কুমারের নামেই সিলমোহর, নির্বাচন কমিশনার বিবেক যোশী

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ দেশের ২৬তম মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক হতে চলেছেন জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক সূত্রে এই খবর জানা গেছে। মঙ্গলবার বর্তমান চিফ ইলেকশন কমিশনার রাজীব কুমারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে জ্ঞানেশ কুমারের কার্যকালের মেয়াদ শুরু হচ্ছে। ২০২৯ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন। মনে করা  হচ্ছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা তাঁর নেতৃত্বেই হবে। এছাড়াও বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বও তিনি সামলাবেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সদস্যদের নিয়োগ সংক্রান্ত নতুন আইনের অধীনে নিযুক্ত প্রথম মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক হলেন জ্ঞানেশ কুমার।
সোমবার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বাছাইয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বৈঠক হয়। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সেই বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমারের নামে সিলমোহর পড়ে।
পাশাপাশি ১৯৮৯ ব্যাচের হরিয়ানা-ক্যাডারের আইএএস অফিসার বিবেক যোশীকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমার ১৯৮৮ সালের ব্যাচের কেরল ক্যাডার হিসেবে আইএএস অফিসার হন। সমন্বয় মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব জ্ঞানেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনি অবসর নেন। এর আগে তিনি সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের সচিবও ছিলেন। ২০১৯ সালের আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির সময় অমিত শাহর নেতৃত্বাধীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাশ্মীর ডিভিশনের যুগ্ম সচিব ছিলেন বলেও জানা যায়। ২০২০ সালে তিনি অতিরিক্ত সচিব হলে অযোধ্যা মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় দেখভালের দায়িত্বে থাকা ডেস্কটিরও দায়িত্ব পান। যার মধ্যে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট গঠনও রয়েছে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বৈধতা নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এই অবস্থায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বাছাই নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল কংগ্রেস। যদিও এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বিষয়ে বৈঠকে করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বৈঠক শেষে নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম ঘোষণা করল ওই কমিটি।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

প্রতিবেশী দেশগুলোর উপর আক্রমণ করবে না ইরান, বড় ঘোষণা রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ানের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক হিসাবে জ্ঞানেশ কুমারের নামেই সিলমোহর, নির্বাচন কমিশনার বিবেক যোশী

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, মঙ্গলবার

পুবের কলম প্রতিবেদকঃ দেশের ২৬তম মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক হতে চলেছেন জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রক সূত্রে এই খবর জানা গেছে। মঙ্গলবার বর্তমান চিফ ইলেকশন কমিশনার রাজীব কুমারের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বুধবার ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে জ্ঞানেশ কুমারের কার্যকালের মেয়াদ শুরু হচ্ছে। ২০২৯ সালের ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন। মনে করা  হচ্ছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা তাঁর নেতৃত্বেই হবে। এছাড়াও বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্বও তিনি সামলাবেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সদস্যদের নিয়োগ সংক্রান্ত নতুন আইনের অধীনে নিযুক্ত প্রথম মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক হলেন জ্ঞানেশ কুমার।
সোমবার মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বাছাইয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বৈঠক হয়। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন মেঘওয়াল, বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। সেই বৈঠকে জ্ঞানেশ কুমারের নামে সিলমোহর পড়ে।
পাশাপাশি ১৯৮৯ ব্যাচের হরিয়ানা-ক্যাডারের আইএএস অফিসার বিবেক যোশীকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমার ১৯৮৮ সালের ব্যাচের কেরল ক্যাডার হিসেবে আইএএস অফিসার হন। সমন্বয় মন্ত্রকের প্রাক্তন সচিব জ্ঞানেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে কাজ করেছেন। ২০২৪ সালের ৩১ জানুয়ারি তিনি অবসর নেন। এর আগে তিনি সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের সচিবও ছিলেন। ২০১৯ সালের আগস্টে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির সময় অমিত শাহর নেতৃত্বাধীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাশ্মীর ডিভিশনের যুগ্ম সচিব ছিলেন বলেও জানা যায়। ২০২০ সালে তিনি অতিরিক্ত সচিব হলে অযোধ্যা মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় দেখভালের দায়িত্বে থাকা ডেস্কটিরও দায়িত্ব পান। যার মধ্যে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট গঠনও রয়েছে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন বৈধতা নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এই অবস্থায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বাছাই নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল কংগ্রেস। যদিও এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে পরবর্তী মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বিষয়ে বৈঠকে করেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বৈঠক শেষে নতুন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম ঘোষণা করল ওই কমিটি।