পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। বুধবার জ্ঞানভাপী মামলার তহখানা( সেলারে) শুনানি চলাকালীন এই মন্তব্য করেন ইলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি। এদিন ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানি স্থগিত রাখে আদালত। বুধবার হিন্দু এবং মুসলিম উভয় পক্ষের আইনজীবীরাই আদালতে নিজেদের স্বপক্ষে যুক্তি দেন।

হিন্দুপক্ষের আইনজীবি আদালতে বলেন, ১৯৯৩ সাল থেকে বছরে একবার করে জ্ঞানভাপী মসজিদের সেলারে পুজো হত। মুসলিম পক্ষ সেই দাবি সম্পূর্ণ খারিজ করে দিয়ে বলে, এখানে ১৯৯৩ সাল থকে কোনও পুজো হয়নি। কেবল ওই সেলার বা  বেসমেন্টকে স্টোর রুম হিসাবে ব্যবহার করা হতো। এখন সেখানকার দখলদারিত্ব প্রমাণ করার জন্য নিয়মিত পুজো করার কথা বলা  হচ্ছে।
১৯৯৩ সাল থেকে এই বেসমেন্টে কোনো পুজো হয়নি। তা আর হিন্দুপক্ষের দখলে ছিল না।

৩১ জানুয়ারি জ্ঞানভাপী মসজিদের বেসমেন্টে পুজোর অনুমতি দেয় বারাণসী জেলা আদালত। ১৯৯১’র উপাসনাস্থল আইন অনুযায়ী স্বাধীনতার সময়ে কোনও ধর্মীয় স্থানের চরিত্র যা ছিল, তা আর বদলানো যাবে না।

সুপ্রিম কোর্ট বাবরি মসজিদের জমিতে রামমন্দিরের অনুমতি দিলেও অন্য কোথাও উপাসনাস্থলের চরিত্র বদল করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছিল। কিন্তু বারাণসী, কাশী এবং মথুরায় উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক ছক তাতে বন্ধ হয়নি।

সিপিআই(এম) সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি মঙ্গলবারই এই প্রসঙ্গে জানিয়েছিলেন, হিন্দুত্ববাদী ভোট ধরে রাখার জন্য এই প্রয়াস আরও বাড়বে। আদালতের অনুমোদনেই এই প্রক্রিয়া চলছে। বিভিন্ন রাজ্যে কোনও না কোনও মসজিদ ভেঙে মন্দিরের বিতর্ক খুঁচিয়ে তোলা হচ্ছে। ধর্মীয় ভাবাবেগ ব্যবহার করে ভোটের এই প্রকল্প বিজেপি এবং আরএসএস বহুদিন চালিয়ে আসছে।