পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়া ও  আমেরিকা তাদের বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু করেছে। আর এই মহড়াকে  পিয়ংইয়ং যুদ্ধের মহড়া হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বারুদের স্তুপের উপর দাঁড়িয়ে থাকা কোরীয় উপদ্বীপে যে কোনও সময় বাজতে পারে যুদ্ধের ডঙ্কা। সম্প্রতি দ্রুত অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী অস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান কিম জং উন। এবার যুদ্ধাস্ত্র তৈরির তৎপরতার মাঝেই ফের মিসাইল ছুঁড়ল কিমের ফৌজ।
  সূত্রের খবর,  সোমবার জাপান সাগরে মিসাইল পরীক্ষা চালায় পিয়ংইয়ং। রণক্ষেত্রে প্রতিপক্ষকে মাত দিতে শুধু অস্ত্রশস্ত্র নয়, কৌশলগত দিক থেকেও পুরোপুরি তৈরি থাকতে চাইছে কিমের দেশ। তাই এই মহড়া শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। এদিকে, উত্তর কোরিয়ার ক্রমবর্ধমান পারমাণবিক শক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার জবাবে বার্ষিক মহড়া শুরু করেছে ওয়াশিংটন-সিওল। মহড়াটি ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
পিয়ং ইয়ং এই মহড়ার নিন্দা জানিয়ে প্রতিক্রিয়া হিসাবে ‘অপ্রতিরোধ্য’ পদক্ষেপের ব্যাপারে সতর্ক করেছে।

উল্লেখ্য, শত্রুপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়ে এর আগেও বেশ কয়েকবার জাপান সাগরে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। গত জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে প্রবেশ করেছিল মার্কিন নৌসেনার সাবমেরিন। তাতে ‘অস্তিত্ব সংকটে’র আশঙ্কায় মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছিল পিয়ং ইয়ং। আর এখন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত অত্যাধুনিক ও শক্তিশালী অস্ত্রশস্ত্র তৈরি হচ্ছে সে দেশে। গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন স্বয়ং কিম। নিজেই ঘুরে দেখছেন বিভিন্ন অস্ত্র তৈরির কারখানা।