পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: গত বছর সংসদে ঝড় তুলে ছিল মহিলা সংরক্ষণ বিল। ২০২৩ মহিলা সংরক্ষণ বিলে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছিল। লোকসভার পর সেই বিল রাজ্যসভাতেও পাশ হয়। ২০২৪ লোকসভা ভোটের আগে সেই বিল পাশ করায় মোদি সরকার। তবে মুখে নারী ক্ষমতায়নের বুলি আওরালেও তার ভিন্ন চিত্র ধরা পড়ল ২৪-লোকসভা ভোটের প্রার্থী বাছাই পর্বে ।
এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দুই ধাপে মোট ২,৮২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে শতকরা হারে মহিলা ছিল ৮ শতাংশ। প্রথম দফার ভোটে দেশজুড়ে মোট ১৩৫ জন মহিলা প্রার্থী ছিলেন। অন্যদিকে দ্বিতীয় দফার ভোটে ১০০ জন মহিলা প্রার্থী ছিলেন। প্রথম ধাপের ১৩৫ জন মহিলার মধ্যে তামিলনাডু থেকে সব থেকে বেশি মহিলা প্রার্থী অংশ নেন। অন্যদিকে কেরলে দ্বিতীয় সর্বাধিক।আরও পড়ুন:
জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৪৩৪ লোকসভা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে গেরুয়া শিবির। তাতে দেখা যাচ্ছে মহিলা মুখ মাত্র ১৬ শতাংশ। অঙ্কের বিচারে ৬৯ জন। তারমধ্যে বিহারের অবস্থা সবথেকে হতাশাজনক। সেখানে বিজেপি কিংবা কংগ্রেস কারও তালিকাতে কোনও নারী প্রার্থী নেই।
লোকসভা ভোটের নির্বাচনী প্রচারে নেমে রাজ্যে রাজ্যে নারী ও যুবশক্তিকে আগামী দিনের ভারত নির্মাণের কারিগর হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর তাঁদের হাত ধরেই যে এবার ভোট বৈতরণী পার হবে মোদি সেই আশাও প্রকাশ করছেন বারংবার। অথচ নারীশক্তিকে সংসদীয় রাজনীতিতে এগিয়ে দেওয়ার কোনও লক্ষণই দেখা যায়নি মোদির দলের প্রার্থী বাছাই পর্বে। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু রাজ্যে মাত্র একজন মহিলা প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। সোজা কথায়, মোদির নারীশক্তি বন্দনার সঙ্গে তাঁর কাজের কোনও মিল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেই মনে করছে ওয়াকিফহাল মহল।