পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ ট্যাংরার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটল খাস কলকাতায়। হালতুতে একটি বাড়িতে মিলল এক পরিবারের ৩ জনের মৃতদেহ। তিনজনের মধ্যে রয়েছেন স্বামী স্ত্রী ও তাদের আড়াই বছরের সন্তান। গা শিউরে উঠেছে, যেভাবে মিলেছে তাঁদের দেহ।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, ঘরের একদিকে বাচ্চাকে কোলে নিয়ে বাবার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। অন্যদিকে দেওয়ালের দিকে মুখ করে ঝুলছিল মায়ের দেহ! প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, আড়াই বছরের শিশুকে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন বাবা।
এখন প্রশ্ন, মহিলাও কি আত্মঘাতী হয়েছেন, নাকি তাঁকে খুন করা হয়েছিল? তা জানা যাবে ময়নাতদন্তের পরই।আরও পড়ুন:
সোমবার বিকেলে শেষবার দেখা গিয়েছিল পরিবারের ৩ জনকে। পুলিশ সূত্রে খবর, কয়েকদিন ধরে বাড়িতে পাওনাদারদের আনাগোনা চলছিল। তাই আর্থিক চাপের মধ্যে ছিল পরিবার, এটা স্পষ্ট। দেনার ভারেই কি তবে শিশুসন্তানকে মেরে আত্মঘাতী বাবা-মা? নাকি এর পিছনে ছিল আরও কোনও কারণ?
ঘটনাস্থল থেকে মিলেছে একটি সুইসাইড নোটও। তাতে কী লেখা আছে, তা এখনও জানা যায়নি। সুইসাইড নোটের তথ্য সামনে এলে, আরও স্পষ্ট হবে আত্মহত্যার কারণ। মৃত মহিলার মা জানিয়েছেন ১ দিন মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি মেয়ে, ফোনে কথা হয়নি। মঙ্গলবার সকালে এই খবর পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তিনি। কী কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে, সেই বিষয়ে তিনিও অন্ধকারে।আরও পড়ুন:
সোমবারই আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাটেও এক পরিবারের ৩ জনের রহস্যমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সরকারি কোয়ার্টার্সেই চুক্তিভিত্তিক এক কর্মীর মা, ভাই, নাবালক ছেলের দেহ উদ্ধার হয়। একটি ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল ভাইয়ের দেহ। মেঝেতে নাবালক ছেলে, পাশের ঘরে মেঝেতে মৃত অবস্থায় মায়ের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এর আগে ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে পরিবারের ছোট ভাই প্রসূণ দে কে। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই মধ্যমগ্রামে একটি বাড়িতে মা ও শিশুকন্যার নিথর দেহ মেলে। একই দিনে বেহালার শকুন্তলা পার্কে একটি অফিস থেকে উদ্ধার হয়, বাবা ও মেয়ের দেহ। পরপর এই ধরনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আরও পড়ুন: