পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :
রান্নার গ্যাসের গ্রাহকদের জন্য অক্টোবরের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ভর্তুকি-সহ নির্ধারিত দামে গার্হস্থ্য এলপিজি রিফিল (ডোমেস্টিক  এলপিজি  রিফিল ) পেতে আধারের বায়োমেট্রিক যাচাই (বায়োমেট্রিক  আঁধার  অথেনটিকেশন  বা বি এ এ  ) বাধ্যতামূলক হচ্ছে। অর্থাৎ, আপনার এলপিজি  সংযোগের (এলপিজি  কানেকশন ) সঙ্গে আধারের বায়োমেট্রিক যাচাই করা না থাকলে, ভর্তুকি-সহ নির্ধারিত দামে পরের সিলিন্ডার বুক করার আগে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে এই নিয়ম নিয়ে একটি বড় বিভ্রান্তি এড়ানো জরুরি।

আধারের বায়োমেট্রিক যাচাই না করলেই যে বাড়িতে গ্যাসের সিলিন্ডার আসা বন্ধ হয়ে যাবে, তা নয়। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, যাচাই না করেও এলপিজি  পাওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে ভর্তুকি-সহ নিয়ন্ত্রিত দামে (রেগুলেটেড  প্রাইস ) সিলিন্ডার পাওয়ার সুবিধা থাকবে না।
তাহলে আপনার কী করা দরকার?
আগে থেকেই আধার যাচাই করা থাকলে কি আবার করতে হবে? বাড়িতে বসে কী ভাবে করা যায়? আর যাচাই না করলে আসলে কী বদলাবে? জেনে নিন পুরো বিষয়টি।

১ অক্টোবর থেকে এলপিজি -তে ঠিক কী বদলাচ্ছে?
এখন থেকে গ্যাসের সিলিন্ডার বুক করার ক্ষেত্রে আধার যাচাইয়ের বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ১ অক্টোবর থেকে ভর্তুকি-সহ নিয়ন্ত্রিত খুচরো দামে (রেগুলেটেড  রিটেল  সেলিং  প্রাইস  বা আর এস পি  ) গার্হস্থ্য এলপিজি  সিলিন্ডার বুক করতে হলে বায়োমেট্রিক আধার যাচাই সম্পূর্ণ থাকা বাধ্যতামূলক। যাঁরা ইতিমধ্যেই এই যাচাই করে ফেলেছেন, তাঁদের নতুন করে কিছু করার দরকার নেই। তাঁরা আগের মতোই সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন। আর যাঁদের এখনও যাচাই হয়নি, তাঁরা একবার প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করলেই ভর্তুকি-সহ নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বুক করার সুবিধা পাবেন।