যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য—রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমর–কে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ চলাকালীন তাঁদের প্রতিবাদের জেরেই তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে।
ভাষণের সময় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ওই দুই আইনপ্রণেতা ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন এবং সরব প্রতিবাদ জানান। হাউস চেম্বার ত্যাগের আগে তাঁরা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে চিৎকার করেন। এরপর ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, “যখন কেউ এমন আচরণ করে এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর প্রমাণিত হয়, তখন তাদের যেখান থেকে এসেছে সেখানে দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।”
তবে আইনগতভাবে এ দাবি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়া–তে হলেও তিনি প্রায় তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিবের জন্ম ডেট্রয়েট–এ; তিনি জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিক। ফলে তাঁদের কাউকেই পূর্বপুরুষের দেশে পাঠানোর সাংবিধানিক সুযোগ নেই।
ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে রাশিদা তালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, দুই মুসলিম নারী তাঁর ভুল ধরিয়ে দেওয়ায় তিনি তা সহ্য করতে পারছেন না বলেই এমন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।
একই পোস্টে ট্রাম্প তাঁর সমালোচক, দুবারের অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো–কেও আক্রমণ করে ব্যক্তিগত কটাক্ষ করেন।
































