পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: মুসলিমদের পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন শরদ পাওয়ার। বললেন, মুসলিমদের প্রতিভা ও দক্ষতা রয়েছে। একটু সুযোগ পেলেই তারা সাহিত্য থেকে শিল্পকলা সর্বত্র বড় অবদান রাখতে হবে।
আরও পড়ুন:
একইসঙ্গে তিনি এও মেনে নিয়েছেন, দেশের জনসংখ্যার একটা বৃহত্তর অংশ হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমদের তাদের ন্যায্য অংশিদারিত্ব দেওয়া হচ্ছে না।
দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমরা তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত।
এমনটাই জানালেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়া। শনিবার পাওয়ার বলেন, মুসলিমরা মনে করে তারা তারা দেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের ন্যায্য অংশ তারা পাচ্ছে না।আরও পড়ুন:
‘বিদর্ভ মুসলিম বুদ্ধিজীবী ফোরাম’ আয়োজিত ‘ভারতীয় মুসলিমদের আগামী দিনের সমস্যা’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে পাওয়ার এই মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন:
শরদের কথায়, ‘‘মুসলিম সম্প্রদায়ের সদস্যদের একটি ধারণা রয়েছে যে তারা দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের ন্যায্য অংশ পাচ্ছে না, যা আসলে একটি বাস্তব সত্য।
আরও পড়ুন:
মুসলিমরা কীভাবে তাদের প্রাপ্য অংশ পেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
’’এদিনের অনুষ্ঠানে পাওয়ারের পূর্ববর্তীএক বক্তা সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় উর্দুর ব্যবহার নিয়ে সওয়াল করেছিলেন।আরও পড়ুন:
সেই দাবিকে সমর্থন জানিয়ে এদিন পাওয়ার বলেন, ‘বহু মানুষ কয়েক প্রজন্ম ধরে এই ভাষা ব্যবহার করে আসছে।’ আরও এককদম এগিয়ে এনসিপি সুপ্রিমো বলেন, ‘‘আমাদের উর্দু স্কুল প্রতিষ্ঠার কথা ভাবতে হবে।
আরও পড়ুন:
উর্দু শিক্ষার কথা বিবেচনা করতে হবে। তবে উর্দুর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির প্রধান ভাষা সম্পর্কেও বিবেচনা করতে হবে।’’ কেরলের প্রসঙ্গ উপস্থাপন করে পাওয়ার বলেন, কেরলের মোট জনসংখ্যার একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সংখ্যালঘুরা।
আরও পড়ুন:
আমাদের কাউকে এটা পর্যালোচনা করে দেখতে হবে যে, রাজ্যের সংখ্যালঘুরা, যেখানে সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার রয়েছে, কীভাবে মূল ভাষাকে সমর্থন দিচ্ছে এবং এর থেকে কী কী সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: