আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ কত রঙ্গ দেখাবি টিয়ে তুলসী তলায় শুয়ে শুয়ে। এক্ষেত্রে একেবারে যুৎসই প্রবাদ। মাছ ধরতে জাল লাগেএকথা সকলে জানেন, কিন্তু মাছ তুলতে যে ক্রেন দরকার হয়, এবুঝি কোনো মাছ যে লম্বায় ১৬ ফুট হতে পারে তা বোধকরি কেউ কল্পনা করেনি। মৎসজীবীদের ভিরমি খাওয়ার জোগাড়। কি করে তোলা যাবে এই মাছ। শেষে ক্রেনে করে তুলতে হয়েছে মাছটি।
ঘটনাটি অবশ্য এদেশের নয়। চিলিতে সম্প্রতি একদল মৎস্যজীবী ১৬ ফুট লম্বা অবিশ্বাস্য একটি দৈত্যাকার মাছ ধরেছেন। দৈত্যাকার মাছটির ক্রেনে তোলার ভিডিয়ো অনলাইনে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে । সদ্য ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, একটি জমিতে স্থানান্তর করার সময় অস্থিযুক্ত মাছটিকে ক্রেনের মাথায় আটকে রাখা হয়েছে। মাছটির নাম ওরফিশ। ইউটিউব ফেসবুক সহ আরও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ভিডিয়োটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রথমে এই ভিডিয়োটি শেয়ার করা হয়েছিল টিকটকে। সেখানেই ১০ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ হয়েছিল । টিকটকে ভাইরাল হওয়া ওই পোস্টে বহু মানুষকে দেখা গিয়েছে উদ্বেগ প্রকাশ করতে। কারণ হিসেবে তাঁরা দাবি করছেন, ঐতিহ্যগত ভাবে সুনামি এবং ভূমিকম্পের জন্য এই মাছটিকে অশুভ লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়।আরও পড়ুন:

সোশ্যাল সাইটে একজন বলেছেন, 'মাছটা অদ্ভুত দেখতে হলেও ভয়ঙ্কর ।‘ অন্য একজন লিখেছেন ওরফিশ আসলে জলের অনেকটাই নিচে থাকে।
এখন এগুলি উঠে আসা মানে হল, টেকটনিক প্লেটগুলো মুভমেন্ট করছে, যা সত্যিই উদ্বেগের বিষয়।” ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বিশ্বাস করেন যে, প্রাণীটি উপকূলের কাছাকাছি থাকা আসন্ন জলের নিচে ভূমিকম্পের সংকেত দেয়।আরও পড়ুন:

এই ধরনের ওরফিশ ভূমিকম্প ও সুনামির আশ্রয়দাতা বলে প্রাচীনকাল থেকেই একটা ধারণা চলে আসছে। এই তত্ত্বটিকে অবশ্য বিজ্ঞান কখনই নিশ্চিত করেনি । তবে যেটা সকলকে ভাবাচ্ছে তা হল কীভাবে মাছটি সমুদ্রের অত নিচ থেকে উপরের পৃষ্ঠে উঠে এল ? সাধারণত ওরফিশগুলি ১১ মিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে । তারা গভীর জলে বাস করে এবং শুধুমাত্র যখন তারা অসুস্থ হয় কিংবা মারা যায় বা প্রজনন করে তখনই সমুদ্রপৃষ্ঠে উঠে আসে। এই ধরনের মাছ খুঁজে পাওয়া বা ধরা পড়ার ঘটনাও বিরল। গত এপ্রিলে নিউজিল্যান্ডের একটি সমুদ্র সৈকতে একটি ওরফিশ পাওয়া গিয়েছিল।