০৭ মার্চ ২০২৬, শনিবার, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝাড়খণ্ডে ১১০০-র বেশি এনজিও বাতিল হতে পারে, জারি হয়েছে সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ ঝাড়খণ্ড সরকার ১১০০-র বেশি স্বেছাসেবী সংস্থা বা এনজিওর উপর নোটিশ জারি করেছে। নোটিশ পাওয়ার দিন থেকেই সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞাও জারি হয়েছে। সরকারি নিয়মাবলি ঠিকভাবে পালন করা হয়নি বলে অভিযোগ এইসব এনজিও-র বিরুদ্ধে। যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যেতে পারে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন আইনে রেজিস্ট্রেশন করা এইসব এনজিও-র নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রিটার্ন জমা দেওয়ার। তাদের সদস্য ও সম্পত্তি সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছিল কিন্তু অনেক সংস্থাই সেই নির্দেশে গুরুত্ব দেয়নি। শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ১১০০-র বেশি সংস্থা নীরব রয়েছে একেবারে। সেজন্য তাদের গতিবিধি বা কর্মসূচিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও যারা রিটার্ন এবং রিপোর্ট জমা দিয়েছে সেগুলির বেশিরভাগই নিয়মবহির্ভূত ও ভুলে ভরা। এমন অনেক সংস্থা রয়েছে যারা রেজিস্ট্রেশন করার পর থেকে ৮/১০ বছর কোনও রিটার্নই জমা করেনি।

কেন্দ্রের ট্রাস্ট আইনে রেজিস্ট্রিকৃত সংস্থাগুলির জন্যও একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সরকারি প্রবক্তা। বিশেষ করে যে সমস্ত সংস্থা সরকারের পক্ষ থেকে কোনও না কোনওভাবে দান অনুদান ফান্ড ইত্যাদি পেয়েছে তাদের উপর বেশি নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা। ঝাড়খণ্ড সরকারের রাজস্ব নিবন্ধন ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রক জানিয়েছে বহু সংস্থার  বিরুদ্ধে তাদের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই ৩১ ডিসেম্বর সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এরপরই ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়ে যাবে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

আজ থেকেই বেকার ভাতা ‘যুবসাথী’, ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঝাড়খণ্ডে ১১০০-র বেশি এনজিও বাতিল হতে পারে, জারি হয়েছে সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, শনিবার

পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ ঝাড়খণ্ড সরকার ১১০০-র বেশি স্বেছাসেবী সংস্থা বা এনজিওর উপর নোটিশ জারি করেছে। নোটিশ পাওয়ার দিন থেকেই সম্পত্তি হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞাও জারি হয়েছে। সরকারি নিয়মাবলি ঠিকভাবে পালন করা হয়নি বলে অভিযোগ এইসব এনজিও-র বিরুদ্ধে। যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তাদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যেতে পারে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সোসাইটি রেজিস্ট্রেশন আইনে রেজিস্ট্রেশন করা এইসব এনজিও-র নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রিটার্ন জমা দেওয়ার। তাদের সদস্য ও সম্পত্তি সম্পর্কে জানাতে বলা হয়েছিল কিন্তু অনেক সংস্থাই সেই নির্দেশে গুরুত্ব দেয়নি। শেষ সুযোগ দেওয়া হয়েছে ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ১১০০-র বেশি সংস্থা নীরব রয়েছে একেবারে। সেজন্য তাদের গতিবিধি বা কর্মসূচিতে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও যারা রিটার্ন এবং রিপোর্ট জমা দিয়েছে সেগুলির বেশিরভাগই নিয়মবহির্ভূত ও ভুলে ভরা। এমন অনেক সংস্থা রয়েছে যারা রেজিস্ট্রেশন করার পর থেকে ৮/১০ বছর কোনও রিটার্নই জমা করেনি।

কেন্দ্রের ট্রাস্ট আইনে রেজিস্ট্রিকৃত সংস্থাগুলির জন্যও একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন সরকারি প্রবক্তা। বিশেষ করে যে সমস্ত সংস্থা সরকারের পক্ষ থেকে কোনও না কোনওভাবে দান অনুদান ফান্ড ইত্যাদি পেয়েছে তাদের উপর বেশি নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এক সরকারি কর্মকর্তা। ঝাড়খণ্ড সরকারের রাজস্ব নিবন্ধন ও ভূমি সংস্কার মন্ত্রক জানিয়েছে বহু সংস্থার  বিরুদ্ধে তাদের কাছে অভিযোগ জমা পড়েছে। তাই ৩১ ডিসেম্বর সময় বেঁধে দেওয়া হয়। এরপরই ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়ে যাবে।