বাংলাদেশে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। আগামী মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-কে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না।
নয়াদিল্লি সূত্রে জানা গেছে, ওই দিনই ভারতে সফরে আসছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। কূটনৈতিক ব্যস্ততার কারণে মোদির পক্ষে ঢাকায় যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর বদলে শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষ থেকে উপস্থিত থাকবেন ওম বিড়লা এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে এবং সার্কভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোটাই দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে, বিশেষ করে শেখ হাসিনা-পরবর্তী সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল তার প্রেক্ষাপটে।
ভারত সরকার নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বলেই ইঙ্গিত মিলছে। একই সঙ্গে মুহাম্মদ ইউনূস-এর ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও জল্পনা চলছে—তাঁকে রাষ্ট্রপতি বা অন্য কোনো সাংবিধানিক পদে দেখা যেতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি।
এদিকে নতুন মন্ত্রিসভা নিয়েও বাংলাদেশে আলোচনা তুঙ্গে। বিএনপি সূত্রে খবর, অভিজ্ঞ নেতাদের পাশাপাশি তরুণ ও দক্ষ নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।



























