আবদুল ওদুদ
আরও পড়ুন:
২০১১ থেকে ২০২১ টানা দশববছর রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এই দশ বছরে রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলির আমূল পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। আর এই পরিবর্তনে রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতর কেবল রাজ্যে নয়– বেশ কয়েকটি প্রকল্পে সারা দেশে 'সেরা' হিসাবে চিহ্নিত হয়েছে। আর এর অবদান রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। গোটা দেশে ভালো কাজের জন্য বাংলায় ৩২২৯টি পঞ্চায়েতের মধ্যে ২৫৬৮টি পঞ্চায়েতকে ৪৬১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা দিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার পুবের কলমকে তিনি জানান– বিশ্বব্যাংক পঞ্চায়েতগুলির কাজের মূল্যায়ণ স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে করায়। ওই সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলিকে অনুদান দেওয়া হয়।
ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে ২৫৬৮টি পঞ্চায়েতকে ৪৬১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা অনুদান বরাদ্দ করা হয়েছে। বিশ্বংব্যাংকের সাহায্যে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় আরও বেশি পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হবে বলে আশা করছেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়।আরও পড়ুন:
এদিন তিনি পুবের কলমকে বলেন– ২০১১ সালে পঞ্চায়েত দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাংক থেকে আমি অনুদানের ব্যবস্থা করি। এর পর গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিতে কাজের গতি বিপুল হারে বেড়েছে। তিনি বলেন– রাজ্যে ৩২২৯ গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। তার মধ্যে ২০০০ বেশি পঞ্চায়েত খুব ভালো কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন– আমার দফতর যে সমস্ত পঞ্চায়েত ভালো কাজ করছে তাদেরকে এই ৪৬১ কোটি টাকা দেবে।
তারা ইচ্ছামত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার উন্নয়নের কাজ করতে পারবে। তার মধ্যে রয়েছে নিকাশী নালা– পানীয়জল– গভীর নলকূপ খনন– আর্সেনিক মুক্ত পানীয় জল– সৌর শক্তির ব্যবহার বাড়ি তৈরি– গ্রামাঞ্চলে নতুন কালভার্ট এবং নতুন রাস্তা তৈরিসহ আরও বিভিন্ন প্রকল্পে খরচ করা যাবে। মন্ত্রী আরও জানান– কোনও পঞ্চায়েত কত টাকা পাবে তা নির্ভর করবে এলাকার জনসংস্থা ভৌগলিক অবস্থান এবং বিগত বছরের কাজের মূল্যায়ন যাচাই করে।আরও পড়ুন:
মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন– যে সমস্ত পঞ্চায়েত আরও ভালো কাজ করবে তাদের আগামী দিনে পুরস্কৃত করা হবে। এছাড়াও ওই সমস্ত পঞ্চায়েতগুলিকে আগামী দিনে আরও অনুদান দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
মন্ত্রী আরও বলেন– ২০২০-২১ অর্থবর্ষে ৪৬১ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে বিশ্বব্যাংক। আর এই অর্থ গত আর্থিক বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি।
মন্ত্রী আরও বলেন– ১০ বছর আগে গোটা দেশে বাংলার অবস্থান ছিল ২৭ থেকে ২৮ নম্বরে। এখন বেশ কয়েকটি প্রকল্প কাজের নিরিখে দেশের সেরা স্বীকৃতি পেয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি প্রকল্পে ১ থেকে তিন নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। মন্ত্রী বলেন– মিশন নির্মল বাংলা– গ্রাম সড়ক যোজনা– বাংলা আবাস যোজনা– আনন্দধারা প্রকল্পে গোটা দেশের মধ্যে বাংলা সবার উপরে স্থান করে নিয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে ২০০০ কিলোমিটার রাস্তা ও ৮–৮২০৩৬ টি নতুন বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যা অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় কয়েকগুন বেশি। দেশজুড়ে বাংলার প্রকল্পগুলি সুনাম অর্জন করেছে। বেশকয়েকটিতে সেরার স্বীকৃতি হিসাবে পুরস্কারও পেয়েছে।