পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করার পরে মুসলিম নেতারা শুক্রবার বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন প্রত্যাহারের দাবি জানালেন।কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মূলত পঞ্জাব,হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশের কৃষকরা আন্দোলন করছেন।সিসিএএ-র বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল গোটা দেশের মুসলিমরা। কিন্তু তাতে আমলই দেয়নি কেন্দ্র। এটিকে কেবল মুসলিমদের সমস্যা মনে করে উদাসীনতা দেখানো হয়েছে।
দেখানো হয়েছে বৈষম্য। এমনটাই অভিযোগ।আরও পড়ুন:
জামাত-ই-ইসলামী হিন্দ-এর সভাপতি সৈয়দ সাদাতুল্লাহ হুসাইনি, বলেছেন: “আমরা এখন সরকারকে অন্যান্য জনবিরোধী এবং সংবিধান বিরোধী আইন যেমন সিএএ-এনআরসির দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আমরা আনন্দিত যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শেষ পর্যন্ত কৃষকদের দাবি মেনে নিয়েছেন। এটা আগে করা হলে বহু লোকসান এড়ানো যেত।
আরও পড়ুন:
তিনটি কৃষি আইন বাতিল করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জমিয়তে উলামা-ই-হিন্দের প্রধান আরশাদ মাদানি। একটি বিবৃতিতে তিনি বলেছেন: ''সরকারের উচিত এখনই সিএএ প্রত্যাহার করা । আমাদের উচিত কৃষকদের অভিনন্দন জানানো।তারা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন ।দেশের অন্যান্য আন্দোলনের মতো কৃষক আন্দোলনকেও দমন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে।
কৃষকদের বিভক্ত করার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কিন্তু তারা সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে নিজেদের অবস্থানে অটল থেকেছেন।তিনি আরও বলেন, “আবারও সত্য সামনে এল। ন্যায়সঙ্গত উদ্দেশ্যে সততা ও ধৈর্যের সঙ্গে আন্দোলন চালালে একদিন সফলতা আসবেই।”আরও পড়ুন:
আরশাদ মাদানী এও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে আমাদের দেশের কাঠামো গণতান্ত্রিক। এখন তাঁর উচিত মুসলিমদের বিষয়ে যে আইন আনা হয়েছে তার প্রতি মনোযোগ দেওয়া। কৃষি আইনের মতো সিএএও প্রত্যাহার করা উচিত।”