পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: বিশ্বে প্রতি ৬৭ জন মানুষ পিছু একজন মানুষ বাস্তুচ্যুত। জোরজবরদস্তি করে এভাবে সারা বিশ্বে প্রায় ১২ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষকে ঘরছাড়া করা হয়েছে এ পর্যন্ত। রাষ্ট্রসংঘের বাস্তুহারা বিভাগের কমিশনার এর অফিস থেকে এক বিবৃতিতে এই তথ্য দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এই তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩ সালের পর থেকে পৃথিবীজুড়ে বলপূর্বক বাস্তুহারা করার প্রবণতা বেড়েছে। গত দু-বছরে এই হার ৬ শতাংশ বেড়েছে।
বিগত ১৩ বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে, এই প্রবণতা বাড়ছে। শুধুমাত্র এই বছরের প্রথম চার মাসে এই প্রবণতা কিছুটা কম ছিল বলে জানাচ্ছে রাষ্ট্রসংঘের এর বাস্তুহারা বিভাগ।আরও পড়ুন:
তখনও গাজাকে ‘ মুক্তাঞ্চল ‘ করার সংকল্প নেননি ট্রাম্প। রাষ্ট্রসংঘের বাস্তুহারা বিভাগের হাই কমিশনার ফিলিপো গ্র্যান্ডি জানিয়েছেন, ‘ আমরা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের এক প্রচণ্ড অস্থির সময়ের মধ্যে বাস করছি। আধুনিক যুদ্ধাস্ত্র এক ভঙ্গুর, যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষের অবস্থা হয়ে উঠেছে প্রাণান্তকর।
আরও পড়ুন:
তাই বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আমাদের প্রয়াস দ্বিগুণ করতে হবে। আর বাস্তুচ্যুত হওয়ার সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। এমন এক পরিবেশ তৈরি করতে হবে যাতে আর একজন মানুষকেও ঘরবাড়ি থেকে উৎখাত হতে না হয়’।
আরও পড়ুন:
পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বে যে ১২ কোটি ৩২ লক্ষের মতো মানুষ সংঘাত, হিংসাত্মক ঘটনা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নির্যাতনের কারণে ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৭ কোটি ৩৫ লক্ষ মানুষ নানা ধরনের হিংসার শিকার হয়ে ঘরছাড়া হয়ে নিজের দেশেই অন্যত্র লুকিয়ে রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
বাকিরা দেশ ছেড়ে অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন। দেশের মধ্যেই বাস্তুহারার সংখ্যা গত ২ বছরে ৬৩ লক্ষ বেড়েছে। অর্থাৎ ভিটেমাটি হারিয়ে দেশেই বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষেরা মোট বাস্তুচ্যুত মানুষের ৬০ ভাগের মতো।