পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ ওয়াকফ নিয়ে মঙ্গলবার ছিল যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠক (জেপিসি)। সেই বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দোপাধ্যায় সঙ্গে বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের তীব্র বাদানুবাদ হয়।
আরও পড়ুন:
পরিস্থিতি এতটাই ঘোরালো হয়ে ওঠে যে একসময় কল্যাণ তাঁর টেবিলে থাকা কাচের বোতল তুলে আছাড় মারেন। আর তাতে তিনি নিজেই আহত হন। তাঁর ডান হাতের তর্জনী ও বৃদ্ধাঙ্গুল রক্তাক্ত হয়। বৈঠক মুলতুবি করে কল্যাণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ক্যালকাটা হাইকোর্টের বিচারপতি থাকাকালীন তাঁর এজলাশে আইনজীবী হিসেবে অনেক মামলা লড়েছেন কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:
সরকারের হয়ে একাধিক মামলা লড়েছেন তিনি। সেইসব সময়ে অভিজিৎ গাঙ্গুলির সঙ্গে তাঁর তীব্র আইনি বাদানুবাদ হত। জেপিসি বৈঠকে যেন তারই একটি আভাস মিলল। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পর কল্যাণকে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং তিনি ফের বৈঠকে যোগ দেন। সেইসময় মিম সাংসদ আসদউদ্দিন ওয়াইসি ও আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে ঢোকেন।
এদিন ওয়াকফ বিল নিয়ে জেপিসির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, আইনজীবী সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। সূত্রের খবর, এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আরও একবার বক্তব্য রাখার চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যে তিনি তিনবার কথা বলেছেন বলে খবর।
আরও পড়ুন:
এদিন বক্তব্য রাখার জন্য আরও একটি সুযোগ চেয়েছিলেন। সেইসময় বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তার বিরোধিতা করেন। আর এই নিয়ে উভয়ের মধ্যে তুমুল তর্কাতর্কি হয়।
সেইসময় উত্তেজিত হয়ে কল্যাণ ব্যানার্জী একটি কাচের জলের বোতল তুলে টেবিলের ওপর ছুড়ে ফেলেন। তাতে তাঁর হাতে চোট লাগে।আরও পড়ুন:
এই ঘটনার জেরে বৈঠক কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়। কল্যাণকে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। তাঁর হাতে চারটি সেলাই পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও সূত্রের খবর, এই ঘটনায় যৌথ সংসদীয় কমিটির পরবর্তী একটি বৈঠকের জন্য কল্যাণকে সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল সাংসদকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘মিটিংয়ের ভিতরের ঘটনা বাইরে আলোচনা করা যায় না।’