পুবের কলম, ওয়েব ডেস্কঃ নৃশংসভাবে ধর্ষণের শিকার নয় বছর বয়সি দলিত নাবালিকা। ৬ ঘণ্টা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা কষল নাবালিকা। হাসপাতালে পৌঁছলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। এরপর বিনা চিকিৎসায় ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ওই দলিত নাবালিকা। এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে এনডিএ শাসিত বিহারের মুজাফফরপুরে। এই ঘটনায় নি¨ায় সরব হয়েছে আম-নাগরিক থেকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এই ধর্ষণ-কাণ্ডের তীব্র নি¨া করেছে কংগ্রেস।
ধর্ষণের ঘটনায় শীর্ষে রয়েছে নীতীশ কুমারের বিহার। বিশেষ করে নিম্ন শ্রেণি ও দলিতরা এই ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনার শিকার হচ্ছেন বেশি। ৬ ঘণ্টা হাসপাতালে পড়ে থাকলেও তার কোনও চিকিৎসা হয়নি। কংগ্রেসের মুখপাত্র শামা মুহাম্মদ বলেন, ‘জেডিইউ-বিজেপি সরকারের জমানায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা। সরকারের নীরব ভূমিকায় অপরাধীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।’ শামা মুহাম্মদ বলেন, ২৬ মে নয় বছর বয়সি এক কিশোরীকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ করা হয়েছিল এবং তারপর ওই অবস্থায় একটি ইটের ভাটায় ওই নাবালিকাকে মৃত্যুর জন্য ফেলে রাখা হয়েছিল।
ধর্ষিতাকে প্রথমে মুজাফফরপুরের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পটনা এইমস-এ রেফার করা হয়। কিন্তু সেখানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি এবং মাল্টি-স্পেশালিটি চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞের অভাবের কথা বলে চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি করতে চায়নি। এরপর তাকে পটনা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে ভর্তি না করে ৫ ঘণ্টা ফেলে রাখা হয়। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি রাজেশ কুমার হাসপাতালে পৌঁছনোর পরেই তাকে ভর্তি করা হয়। তবে, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। জীবন যুদ্ধে হেরে যায় ৯ বছরের নাবালিকা।
শামা মুহাম্মদ বলেন, পীড়িতা দলিত সম্প্রদায়ের, তাই এইমস-এর মতো প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা পরিষেবা পায়নি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি হস্তক্ষেপের আগে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্সে অপেক্ষা করতে হয়েছিল নাবালিকাকে।




























