পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ধর্মান্তরনের মতো ধর্মীয় স্থানের ‘কনভারশন’ প্রক্রিয়া চলছেই। ধর্মীয় স্থানগুলির মুসলিম সত্ত্বার হিন্দুকরণ ঘটেই চলেছে যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে। এখনও জ্ঞানভাপীর কিসমত-এর ফয়সালা হয়নি। এরই মাঝে উত্তরপ্রদেশের বাঘপতে সুফি সাধক বদরুদ্দিনের মাজারকে মহাভারতের জতুগৃহ হিসেবে চিহ্নিত করে হিন্দুপক্ষের হাতে বিতর্কিত জমির মালিকানা তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা দায়রা আদালত।
ফের শিরোনামে যোগীরাজ্য। বাঘপতের মতোই ফারুখাবাদের কায়মগঞ্জে নবাব রশিদ মিঞার মাজারের জায়গায় নাকি শিব মন্দির ছিল। সেই দাবিতে কায়মগঞ্জের হিন্দু জাগরণ মঞ্চ সার্ভের দাবি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল।আরও পড়ুন:
এতদিন পুরাতত্ত্ব বিভাগই রশিদ মিঞা মাজারের দেখভাল করছিল।
কোর্টের নির্দেশের পর সার্ভের কাজও শেষ হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই পুরাতত্ত্ব বিভাগ আদালতে সার্ভে রিপোর্ট তুলে দেবে বলে জানা গিয়েছে।হিন্দু জাগরণ মঞ্চের কর্মকর্তা প্রদীপ সাক্সেনা বলেন, এই জায়গায় একটি শিবমন্দির ছিল, মুঘলরা ওই মন্দির ভেঙে মাজার নির্মাণ করেছিল। মাজার সংলগ্ন জায়গার সার্ভের দাবিতে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতারা ফতেহগড় জেলা দায়রা আদালতে মামলা দায়ের করেছিল। আদালতও সার্ভে করে তার রিপোর্ট জমা দিতে বলেছে। আমরা ওই জায়গায় হিন্দুদের পুজো করতে দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।