পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক : গুজরাতে সরকারি প্রকল্পের অধীনে সাধারণের ব্যবহারের জন্য একটি রাস্তা তৈরি হবে। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেই রাস্তা নির্মাণ করতে হলে স্থানীয় একটি মন্দির ভেঙে ফেলতে হবে। সরকারি প্রকল্পের বিরোধিতা করে মন্দির বাঁচাতে স্থানীয় বাসিন্দারা গুজরাত হাইকোর্টে আবেদন জানান। সেই আবেদনের ভিত্তিতে গুজরাত হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুনীতা আগরওয়াল মামলার পর্যবেক্ষণে জানান, যেখানে সেখানে মন্দির নির্মাণ করা ভারতে সরকারি জমি দখলের আরেকটি উপায়। আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, আপনারা আবেগকে কাজে লাগিয়ে সবাইকে ব্ল্যাকমেইল করে সরকারি সম্পত্তি দখল করতে চাইছেন।
প্রধান বিচারপতি আগরওয়াল আরও বলেন, যে জমিতে মন্দিরটি অবস্থিত সেটি আবেদনকারিদের মালিকানাধীন নয়। মন্দির ভেঙে ফেলা হবে, সরানো হবে এই কথা বলে মানুষের আবেগকে উসকে দিতে পারেন না আপনারা।আরও পড়ুন:
প্রধান বিচারপতি সুনীতা আগরওয়াল তিরস্কার করে বলেন, বাড়িগুলোকে মন্দিরে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া ভারতে বেআইনি নির্মাণ রক্ষার চেষ্টা চালানো ছাড়া আর কিছুই নয়। বাড়ির সামনে কোনও ধরনের প্রতীক লাগানো হচ্ছে, আর সেটিকে মন্দির বলা হচ্ছে। মামলায় বিচারপতি অনিরুদ্ধ ময়ী অন্তর্বর্তীকালীন মন্দির ভাঙার উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।
পরবর্তী শুনানি ১৪ মার্চ।আহমদাবাদ পুরসভা জানিয়েছে, বাসিন্দারা সম্মিলিতভাবে স্থানীয় মন্দির রক্ষা করতে চেয়েছেন, আমরা জানি এর সঙ্গে মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে। রাস্তা তৈরির জন্য কোনও আবাসন ভাঙা পড়বে না।
আরও পড়ুন:
আদালত সূত্রে খবর, চান্দলোদিয়ার ৯৩টি পরিবার একটি টিপি প্রকল্পে জনসাধারণের জন্য রাস্তা নির্মাণের বিরোধিতা করে মামলা দায়ের করে। মামলাটি প্রথমে একক বেঞ্চ খারিজ করে দিলে মামলা যায় ডিভিশন বেঞ্চে।