পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রত্যাশামতোই রাজস্থান থেকে রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি (sonia gandhi) । মঙ্গলবার সকালেই তিনি জয়পুরে যান। তারপর, ছেলে রাহুল গান্ধি, মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধি বঢরা, রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এবং রাজ্যের কংগ্রেস নেতা গোবিন্দ সিং দোতাসরাকে সঙ্গে নিয়ে জয়পুরে রাজ্য বিধানসভায় গিয়ে মনোনয়ন জমা দেন সোনিয়া (sonia gandhi) ।
আরও পড়ুন:
কংগ্রেস দলীয় সূত্রের খবর, ভগ্ন স্বাস্থ্যের কারণেই লোকসভা নির্বাচনের ধকল আর নিতে চান না সোনিয়া গান্ধি (sonia gandhi) । লোকসভা কেন্দ্রে নিয়মিত যাওয়াও তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই তিনি রাজ্যসভায় সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
রাজস্থান থেকে সোনিয়ার রাজ্যসভা নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়ায় উচ্ছ্বসিত রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট।সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, রাজস্থানের সঙ্গে সোনিয়ার অন্তরের যোগ রয়েছে। এদিন সোনিয়া গান্ধি ছাড়াও, রাজ্যসভা নির্বাচনের আরও চার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। বিহার থেকে প্রার্থী হবেন অখিলেশ প্রসাদ সিং, হিমাচল প্রদেশ থেকে অভিষেক মনু সিংভি এবং মহারাষ্ট্র থেকে চন্দ্রকান্ত হান্দোর।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ১৫ রাজ্যের ৫৬ আসনে হবে রাজ্যসভার নির্বাচন। যার মধ্যে ৯-১০ আসনে জয় পাওয়ার মতো জায়গায় রয়েছে কংগ্রেস।
চাইলে তিনি অবশ্য কর্নাটক কিংবা তেলেঙ্গানা থেকে মনোনয়ন জমা দিতে পারতেন। কিন্তু রাজস্থানকে বেছে নিয়ে কংগ্রেস বোঝাতে চাইছে গোবলয়ে এখনও তারা জনগণের ওপর থেকে আশা হারায়নি। রাজস্থান থেকে কংগ্রেসের একটি রাজ্যসভা আসনে জয় নিশ্চিত। কাজেই সোনিয়ার জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। এর আগে লোকসভায় পাঁচ মেয়াদে সাংসদ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।আরও পড়ুন:
২০২৩ সালের রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে কংগ্রেস।
বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গড়েছে। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মরুরাজ্যে কংগ্রেসকে চাঙ্গা করতেই এই পদক্ষেপ। কংগ্রেসের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ ভারতের কোনও রাজ্য থেকে প্রার্থী হননি সোনিয়া। কংগ্রেস যে হিন্দিভাষী রাজ্যকে গুরুতে দিয়ে চায় তা স্পষ্ট। ১৯৯৯ সালে কংগ্রেস সভানেত্রী হওয়ার পরই প্রথমবার লোকসভায় নির্বাচিত হন তিনি। কিন্তু, রাজ্যসভায় এই প্রথম পা রাখবেন সোনিয়া। এর আগে গান্ধি পরিবার থেকে আর একজনই রাজ্যসভার সদস্য হয়েছিলেন। ১৯৬৪ সালের আগস্ট থেকে ১৯৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি।আরও পড়ুন: