পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: রাজ্যসভার সদস্য হলেন সোনিয়া গান্ধি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে লোকসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা আগেই জানিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হলেন সোনিয়া। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের জয়পুর থেকে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে রাজ্যসভায় মনোনয়ন দিয়েছিলেন সোনিয়া।
২০০৬ সালে থেকে লোকসভায় রায়বরেলির প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি।আরও পড়ুন:
২০১৯ সালে সেই আসনে জয়ী হন। নির্বাচনী রাজনীতিতে আসার পর এই প্রথম লোকসভা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না সোনিয়া। ৭৭ বছর বয়সী সোনিয়া সব মিলিয়ে পাঁচ দফায় কংগ্রেসের লোকসভা সাংসদ।
এর আগে ইন্দিরা গান্ধি ১৯৬৪-১৯৬৭ সাল পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন।কংগ্রেসের তরফে সোনিয়া গান্ধি ছাড়াও রাজ্যসভায় পাঠানো হচ্ছে বিহার থেকে ড. অখিলেশ প্রসাদ সিং, হিমাচল প্রদেশ থেকে বর্ষীয়ান আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি, মহারাষ্ট্র থেকে চন্দ্রকান্ত হান্দোরেকে। কংগ্রেস সূত্রের খবর এবার উত্তর প্রদেশের রায়বরেলি কেন্দ্রের প্রার্থী হতে পারেন কন্যা প্রিয়াঙ্কা গান্ধি। রাজস্থান বিধানসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোনিয়া গান্ধি ছাড়াও বিজেপি নেতা চুন্নিলাল গারাসিয়া এবং মদন রাঠোর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার ছিল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। কিন্তু এদের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় তিন নেতাকেই জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
রাজ্যসভার সদস্য কংগ্রেসের মনমোহন সিং এবং বিজেপির ভূপেন্দ্র যাদবের মেয়াদ আগামী ৩ এপ্রিল শেষ হতে চলেছে। বিজেপি সাংসদ কিরোদি লাল মীনা বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পরে ডিসেম্বরে বিধানসভা পদত্যাগ করার পরে তৃতীয় আসনটি খালি হয়ে যায়৷ হিমাচল প্রদেশ থেকে একটি আসন খালি হচ্ছে। কারণ এপ্রিলেই ওই আসনের সাংসদ জে পি নাড্ডার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা মঙ্গলবার গুজরাত থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।