পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: গাজার কয়েকটি হাসাপাতালের সার্জারি বিভাগে রোগীদের জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। কারণ, রোগীদের কোনও অ্যানেস্থেসিয়া বা পেইন কিলার না দিয়েই অস্ত্রোপচারের টেবিলে শোয়াচ্ছেন চিকিৎসকরা। এতে সার্জারি চলাকালীন যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে মারা যাচ্ছেন রোগীরা। একপ্রকার বাধ্য হয়েই চিকিৎসকদের কিছু জরুরি সার্জারি করতে হচ্ছে।
তা না হলে অনেকে এমনিতেই চিকিৎসার অভাবে মারা যাবেন। স্বাস্থ্য সংস্থাগুলি জানাচ্ছে, ইসরাইলের বিমান হামলা ও অবরোধের কারণে গাজার হাসপাতালগুলির অবস্থা অত্যন্ত ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গাজায় চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশের ক্ষেত্রে সব ধরনের অবরোধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে ইসরাইল এখনও হাপাতালে হামাসের ডেরার খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে। ইসরাইলের দাবি, হাসাপাতালের তলদেশে হামাসের অফিস রয়েছে, সেগুলিরই খোঁজ চলছে। কিন্তু এই খোঁজ চালাতে গিয়ে যে কত মানুষের প্রাণ ইসরাইল নিয়েছে তার কোনও হিসাব নেই। সম্প্রতি গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনুসের আল-নাসের হাসপাতালের সমস্ত পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালটি চারদিক থেকে ঘিরে হামলা চালাচ্ছে ইহুদি বাহিনী। নারী ও শিশুদেরও রেয়াত করছে না তারা। উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবর সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করে গাজায় সব ধরনের পণ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয় দখলদার ইসরাইল। এর মধ্যে রয়েছে চিকিৎসা সরঞ্জামও। কিছু ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করেত দিলেও জ্বালানি প্রবেশ করতে দিচ্ছে না তেল আবিব। ফলে একের পর এক হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। গাজার চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ফলে এখন চিকিৎসকদের চেতনানাশক ছাড়াই অস্ত্রোপচারের মতো জটিল কাজ করতে হচ্ছে।আরও পড়ুন: