রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ না করায় এবং মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার না করায় ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবুও নিজের অবস্থান থেকে সরেনি নয়াদিল্লি।
সদ্যসমাপ্ত এসসিও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিক মন্তব্য করেন, “আমার বিশ্বাস, এক বা দুই মাসের মধ্যেই ভারত আলোচনার টেবিলে আসবে এবং ক্ষমা চাইবে। পাশাপাশি ট্রাম্পের সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা করবে।”
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি আমেরিকাকে সমর্থন না করে তবে শুল্কের বোঝা আরও বাড়ানো হবে। “ভারত রুশ তেল কেনা ও ব্রিকসে থাকা বন্ধ করতে চায় না। কিন্তু বিকল্প স্পষ্ট—হয় ডলার ও আমেরিকাকে সমর্থন করুন, নয়তো ৫০ শতাংশ শুল্ক দিন।”
অন্যদিকে ভারত স্পষ্ট করেছে, মার্কিন শুল্ক অযৌক্তিক। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেছেন, “রুশ তেল হোক বা অন্য কিছু—আমরা আমাদের চাহিদার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেব।”


















