পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: "প্রচণ্ড ভয়ের কারণে আমি চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়েছি। গুন্ডারা আমাদের ওপর নজর রাখছে, তাই আমি ইতিমধ্যেই শহর ছেড়ে চলে এসেছি। ওরা অত্যন্ত বিপজ্জনক লোক। অন্য চিকিৎসকেরা হয়তো সেখানে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন, কিন্তু আমি আর পারব না।
আমি কোনোদিন আর ওখানে ফিরে যাব না।"—অত্যন্ত আতঙ্কের সাথে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথাগুলি বলেছেন মহারাষ্ট্রের থানে জেলার ডম্বিভলিতে আক্রান্ত হওয়া এক চিকিৎসক।আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, গত ৬ জুলাই ডম্বিভলির কল্যাণ-ডম্বিভলি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন দ্বারা পরিচালিত শাস্ত্রী নগর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হন শাসকদল শিবসেনার (একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠী) প্রভাবশালী নেতা রমেশ মাত্রে।
আরও পড়ুন:
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন এক নবজাতকের শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত দুই চিকিৎসক (একজন পুরুষ ও একজন মহিলা) শিশুটির পরিবারকে অন্য একটি উন্নত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পরামর্শ দেন।
কিন্তু এই পরামর্শে ক্ষিপ্ত হয়ে শিশুটির আত্মীয়রা স্থানীয় শিবসেনা কর্পোরেটর রমেশ মাত্রের সাথে যোগাযোগ করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাত্রে তাঁর একদল অনুগামী ও গুন্ডাবাহিনী নিয়ে হাসপাতালে এসে চড়াও হন।আরও পড়ুন:
হাসপাতালের সিসিটিভিতে দেখা গেছে, রমেশ মাত্রে এবং তাঁর সমর্থকেরা প্রথমে চিকিৎসক ও কর্মীদের সাথে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়ান। এরপর আচমকাই মাত্রে পিছন থেকে এক মহিলা চিকিৎসকের দিকে এগিয়ে যান। এক মহিলা চিকিৎসকের হাতে আঘাত করেন। এরপর তিনি অন্য পুরুষ চিকিৎসক ও বাকি স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং তাঁদের মারধর করেন।