পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ উত্তর ভারতে বর্ষা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাজ পড়ে মৃত্যুর ঘটনা।বিহারে বজ্রপাত ও বজ্রপাতজনিত ঘটনায় গত সপ্তাহে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।ভাগলপুর জেলায় ছয়টি মৃত্যুর কথা জানা গিয়েছে। বৈশালী, বাঙ্কা এবং খাগরিয়া থেকে তিনটি মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে প্রতিটিতে দুটি এবং মুঙ্গের, কাটিহার, মাধেপুরা এবং সহরসা প্রতিটিতে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন:
কিন্তু কেন বজ্রপাতের পরিমাণ এত বাড়ছে? আবহাওয়ার কোনও বদল, না কি তার সঙ্গে জুড়ে রয়েছে পরিবেশের কোনও বদলও? সাধারণত কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে বজ্রপাত ও বৃষ্টি হয়। সেই কারণে এই মেঘকে বজ্রগর্ভ মেঘও বলা হয়ে থাকে।
আরও পড়ুন:
২০২০ থেকে২০২১ সালের মধ্যে বজ্রপাতের কারণে ১৬৯৭ – জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগই উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে থেকে এই মৃত্যুর কেস নথিভুক্ত করা হয়েছে। বার্ষিক বজ্রপাত রিপোর্ট ২০২০ -২০২১ যেটি কেন্দ্রীয় ভূ বিজ্ঞান মন্ত্রক, ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ এবং অন্যান্য সরকারীর সংস্থার যৌথ সমীক্ষার ফসল। তিনটি রাজ্য আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে - উত্তর প্রদেশ, বিহার এবং মধ্যপ্রদেশ, যেখানে বজ্রপাতে ১৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ৷ এই তথ্য সামনে এসেছে কারণ বজ্রাঘাতে মৃতদের পরিবার ক্ষতিপূরণ পায়। ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট অবজারভিং সিস্টেমস প্রমোশন কাউন্সিলের সঞ্জয় শ্রীবাস্তব (CROPC) যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বজ্রপাতের ওপর গবেষণাধর্মী কাজ করে আসছেন তাঁর কথায় দ্রুত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং নির্বিচারে গাছ কেটে ফেলা এই ব্রজ্রপাত বৃদ্ধির অন্যতম কারন বলে মনে করছেন।