০৪ মার্চ ২০২৬, বুধবার, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রত্ন পাথরের খোঁজ মিলল শ্রীলঙ্কায়

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: শ্রীলঙ্কার রত্নের শহর হিসাবে পরিচিত রত্নপুরায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় রত্ন পাথরের খোঁজ মিলেছে। একজন রত্ন ব্যবসায়ী তার বাড়ির পেছনে শ্রমিকদের দিয়ে কূপ খনন করাতে গিয়ে পাথরটি আবিষ্কার করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাথরটি ‘নীলকান্তমণি’ এর রং নীল। আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম হবে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮৮৪ কোটি টাকা। পাথরটির ওজন ২.৫ মিলিয়ন ক্যারেট বা ৫১০ কেজি।

পাথরটির মালিক মি. গোমেজ বলেন, কূপ খননকারী শ্রমিকরা বলেছিল, মাটির তলায় মূল্যবান পাথর পাওয়া যেতে পারে। হঠাৎ বিশাল এক পাথর পেয়ে আমরা হতবাক হয়ে গেলাম। গোমেজ জানান, তিনি নিজেও একজন রত্ন ব্যবসায়ী। তবে যে পাথরটি পাওয়া গেছে তার ওপর থেকে কাদামাটি সাফ করতে বছরখানেক সময় লেগে যাবে। পাথরটির ওপর থেকে কিছু পাথর তুলে ফেললেই মূল্যবান নীলা বেরিয়ে আসবে। মাটির নিচে বিভিন্ন সময় রত্ন পাথর পাওয়া যায় বলে এই এলাকাটির নামকরণ করা হয়েছে ‘রত্নপুরা’। এলাকাটিকে দক্ষিণ এশিয়ার রত্ন রাজধানীও বলা হয়। অতীতে এখানে অনেক মূল্যবান রত্ন পাথরের সন্ধান মিলেছে। বিশ্বের প্রথম সারির যেসব দেশ থেকে নীলকান্তমণি বা নীলা পাথর রফতানি করা হয় শ্রীলঙ্কা তাদের মধ্যে একটি। রত্ন পাথর রফতানি করে শ্রীলঙ্কা প্রতি বছরই প্রচুর বিদেশি মুদ্রা অর্জন করে।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

পশ্চিম এশিয়ায় চরম উত্তেজনা: ভারতে বাতিল ২৫০টিরও বেশি বিমান, বিপাকে হাজারো যাত্রী

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রত্ন পাথরের খোঁজ মিলল শ্রীলঙ্কায়

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২১, বুধবার

পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: শ্রীলঙ্কার রত্নের শহর হিসাবে পরিচিত রত্নপুরায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় রত্ন পাথরের খোঁজ মিলেছে। একজন রত্ন ব্যবসায়ী তার বাড়ির পেছনে শ্রমিকদের দিয়ে কূপ খনন করাতে গিয়ে পাথরটি আবিষ্কার করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাথরটি ‘নীলকান্তমণি’ এর রং নীল। আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম হবে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮৮৪ কোটি টাকা। পাথরটির ওজন ২.৫ মিলিয়ন ক্যারেট বা ৫১০ কেজি।

পাথরটির মালিক মি. গোমেজ বলেন, কূপ খননকারী শ্রমিকরা বলেছিল, মাটির তলায় মূল্যবান পাথর পাওয়া যেতে পারে। হঠাৎ বিশাল এক পাথর পেয়ে আমরা হতবাক হয়ে গেলাম। গোমেজ জানান, তিনি নিজেও একজন রত্ন ব্যবসায়ী। তবে যে পাথরটি পাওয়া গেছে তার ওপর থেকে কাদামাটি সাফ করতে বছরখানেক সময় লেগে যাবে। পাথরটির ওপর থেকে কিছু পাথর তুলে ফেললেই মূল্যবান নীলা বেরিয়ে আসবে। মাটির নিচে বিভিন্ন সময় রত্ন পাথর পাওয়া যায় বলে এই এলাকাটির নামকরণ করা হয়েছে ‘রত্নপুরা’। এলাকাটিকে দক্ষিণ এশিয়ার রত্ন রাজধানীও বলা হয়। অতীতে এখানে অনেক মূল্যবান রত্ন পাথরের সন্ধান মিলেছে। বিশ্বের প্রথম সারির যেসব দেশ থেকে নীলকান্তমণি বা নীলা পাথর রফতানি করা হয় শ্রীলঙ্কা তাদের মধ্যে একটি। রত্ন পাথর রফতানি করে শ্রীলঙ্কা প্রতি বছরই প্রচুর বিদেশি মুদ্রা অর্জন করে।