পুবের কলম,ওয়েব ডেস্ক: সুইডেনে মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কুরআনের কপি পোড়ানোর এক ঘটনার প্রতিবাদে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের সুইডিশ দূতাবাসে এক দল লোক জোর করে ঢুকে পড়েছে।
আরও পড়ুন:
বুধবার (২৮ জুন) স্টকহোম শহরের কেন্দ্রীয় মসজিদের বাইরে কুরআনের একটি কপিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এক ব্যক্তি।
আরও পড়ুন:
তার নাম সালওয়ান মোমিকা এবং তিনি সুইডেনে বসবাসরত একজন ইরাকি বলে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তুরস্ক, ইরাক, ইরান, মিসর ও সৌদি আরবসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা করে।
আরও পড়ুন:
ইরাকের একজন ক্ষমতাধর ধর্মীয় নেতা মোকতাদা আল-সদর এর প্রতিবাদ জানানোর ডাক দিলে বৃহস্পতিবার রাজধানী বাগদাদে সুইডিশ দূতাবাসের সামনে একদল লোক জড়ো হয়।
সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে বেশ কিছু লোককে ভবনটির প্রাঙ্গণে হাঁটতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলে থাকা এএফপির একজন ফটোসাংবাদিক বলেছেন, কিছু লোক দূতাবাস ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং প্রায় ১৫ মিনিট সেখানে অবস্থান করে। পরে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী আসার পর তারা সেখান থেকে চলে যায়।
আরও পড়ুন:
সুইডেনের কর্তৃপক্ষ বলছে, মোমিকাকে দেশের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংক্রান্ত আইনের আওতায় মসজিদের বাইরে প্রতিবাদ করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তবে কুরআন পোড়ানোর ঘটনা ঘটার পর পুলিশ বলছে যে তারা এখন ঘৃণা উসকে দেয়ার দায়ে ঘটনাটির তদন্ত করছে।
আরও পড়ুন:
তুরস্ক এ ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে এ ধরনের ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড অগ্রহণযোগ্য।
আরও পড়ুন:
তুর্কি প্রেসিডেন্ট তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, ‘উদ্ধত পশ্চিমাদের আমরা একসময় শিক্ষা দেবো যে মুসলিমদের অপমান করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়।’
আরও পড়ুন:
মরক্কো ও জর্ডান এ ঘটনার প্রতিবাদে স্টকহোম থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতদের দেশে ফিরে আসতে বলেছে। মরক্কোর রাবাতে সুইডিশ রাষ্ট্রদূতকে তলবও করা হয়।
আরও পড়ুন:
মিসর বলেছে, যখন মুসলিমরা ঈদ উল আজহা পালন করছে তখন এই লজ্জাজনক ঘটনা বিশেষভাবে উসকানিমূলক।
আরও পড়ুন:
সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসন বলেছেন, এ ঘটনা ‘আইনগতভাবে বৈধ’ হলেও অনুচিত ছিল।
আরও পড়ুন:
সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে এর আগে দাঙ্গা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ন্যাটো সদস্য তুরস্ক এর আগে সুইডেনকে এ জোটের সদস্যপদ দেয়ার প্রস্তাব অনুমোদন করেনি এবং এর একটি কারণ হিসেবে এধরনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছে।