২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাড়তে পারে ‘যুবসাথী’ আবেদনের মেয়াদ, ৯ দিনে প্রায় ৭৭ লক্ষ আবেদন

 

রাজ্য সরকারের চালু করা যুবসাথী প্রকল্পে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ন’দিনে মোট আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৭৭ লক্ষ। গত ১৬ তারিখ থেকে নাম নথিভুক্তিকরণ শুরু হয় এবং আজ বৃহস্পতিবার ছিল আবেদনের শেষ দিন। তবে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত, বিপুল সাড়ার কারণে আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার পর্যন্ত মোট ৭৬ লক্ষ ৭৭ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে। তার পরেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া।
চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক উত্তীর্ণ বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারছেন। কর্মসংস্থান না পাওয়া পর্যন্ত অথবা সর্বাধিক পাঁচ বছর মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ‘স্বনির্ভর বাংলা’ শিবিরের পাশাপাশি অনলাইনেও আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে বিপুল সংখ্যায়। মাসিক আর্থিক সহায়তা ১৫০০ টাকায় বৃদ্ধির পর বহু উপভোক্তা নতুন করে আবেদন করছেন। ভূমিহীন কৃষকরাও বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা প্রকল্পে আবেদন করেছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেটে অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেন। প্রথমে জানানো হয়েছিল ১৫ আগস্ট থেকে প্রকল্প চালু হবে। পরে মুখ্যমন্ত্রী ১ এপ্রিল থেকেই কার্যকর করার ঘোষণা দেন। সেই অনুযায়ী ১৬ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন জানানোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

উত্তপ্ত বিতর্কের পর দুই মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক মার্কিন প্রতিনিধিকে বহিষ্কারের দাবি ট্রাম্পের

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাড়তে পারে ‘যুবসাথী’ আবেদনের মেয়াদ, ৯ দিনে প্রায় ৭৭ লক্ষ আবেদন

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার

 

রাজ্য সরকারের চালু করা যুবসাথী প্রকল্পে ব্যাপক সাড়া মিলেছে। ন’দিনে মোট আবেদন জমা পড়েছে প্রায় ৭৭ লক্ষ। গত ১৬ তারিখ থেকে নাম নথিভুক্তিকরণ শুরু হয় এবং আজ বৃহস্পতিবার ছিল আবেদনের শেষ দিন। তবে প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত, বিপুল সাড়ার কারণে আবেদনের সময়সীমা বাড়ানো হতে পারে।
নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার পর্যন্ত মোট ৭৬ লক্ষ ৭৭ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে। তার পরেই রয়েছে মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া।
চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে এই প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক উত্তীর্ণ বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারছেন। কর্মসংস্থান না পাওয়া পর্যন্ত অথবা সর্বাধিক পাঁচ বছর মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। ‘স্বনির্ভর বাংলা’ শিবিরের পাশাপাশি অনলাইনেও আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
একই সঙ্গে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে বিপুল সংখ্যায়। মাসিক আর্থিক সহায়তা ১৫০০ টাকায় বৃদ্ধির পর বহু উপভোক্তা নতুন করে আবেদন করছেন। ভূমিহীন কৃষকরাও বিভিন্ন আর্থিক সহায়তা প্রকল্পে আবেদন করেছেন বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেটে অর্থ রাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেন। প্রথমে জানানো হয়েছিল ১৫ আগস্ট থেকে প্রকল্প চালু হবে। পরে মুখ্যমন্ত্রী ১ এপ্রিল থেকেই কার্যকর করার ঘোষণা দেন। সেই অনুযায়ী ১৬ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন জানানোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।