০৬ মার্চ ২০২৬, শুক্রবার, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপাচার্য কেন মিথ্যে কথা বলেছেন জানিনা, জমি বিতর্কের মাঝেই প্রতীচীতে মুখ্যমন্ত্রী

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: অমর্ত্য সেনের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্বভারতীর জমি অধিগ্রহণ বিতর্কের মধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের হাতে বাড়ির জমির  সংক্রান্ত কাগজপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদমাধ্যমের সামনে বাড়ির জমির নথি দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব ভারতীর দাবি মিথ্যে, অহেতুক। এভাবে কোনও মানুষকে হেনস্থা করা ঠিক নয়। বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে কড়া আক্রমণও করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যে বলার অভিযোগ আনে মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: বাংলার নতুন রাজ্যপাল আর.এন. রবি, নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জমির নথি নিয়ে এসেছি, এটাই সঠিক নথি। আইনত কী করব, সেটা পরে জানাব। মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে আসার পর তাঁকে চা-পানের অনুরোধ করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। প্রতীচীতে মমতাকে সিঙারা, চা, বিস্কুট খেতে দেওয়া হয়। অমর্ত্য সেনের সঙ্গে জমি নিয়ে আলোচনা করেন মমতা। প্রতীচীতে বসেই অমর্ত্য সেনকে জেড প্লাস ক্যাটেগরি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে অমর্ত্য সেনের নিরাপত্তায় বাড়ির বাইরে ক্যাম্প করার কথাও বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

এদিন রাগান্বিত কণ্ঠে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যার পায়ে হাত দিলে নিজেকে গর্বিত মনে হয় তাঁকে কেন হেনস্থা। যে মানুষটা বাংলা ও বিশ্বকে সম্মানিত করেছে তাঁর বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে অভিযোগ, সত্যি নিন্দনীয়। তাঁকে সম্মান জানাতে এসেছিলাম। তাঁকে অশ্রদ্ধা করার কারোর কাম্য নয়। তবে অশ্রদ্ধা করা কিছু মানুষের অভ্যাস। অমর্ত্য সেনের কোনও কিছু অসুবিধা হলে, তা দেখার কর্তব্য আমার মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।

আরও পড়ুন: ‘১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ চলে যাবে’, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অতীতে আমিও বিশ্ব ভারতীর কোর্ট মেম্বার ছিলাম। সত্য জানাতেই আজ এখানে ছুটে আসা।  রাজ্য সরকারের হাতে থাকা তাঁর জমির নথি আমি অমর্ত্য সেনকে দিয়েছি। বিশ্বভারতীকে রবীন্দ্রনাথের চোখে দেখি, গৈরিকীকরণের চোখে নয়। অমর্ত্য সেনের পরিবার যেন  কোনও ভাবে বিবৃত না হন।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

কর্নাটকে নিষিদ্ধ হচ্ছে ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার: বাজেটে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

উপাচার্য কেন মিথ্যে কথা বলেছেন জানিনা, জমি বিতর্কের মাঝেই প্রতীচীতে মুখ্যমন্ত্রী

আপডেট : ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, সোমবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্ক: অমর্ত্য সেনের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী। বিশ্বভারতীর জমি অধিগ্রহণ বিতর্কের মধ্যেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদের হাতে বাড়ির জমির  সংক্রান্ত কাগজপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সংবাদমাধ্যমের সামনে বাড়ির জমির নথি দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব ভারতীর দাবি মিথ্যে, অহেতুক। এভাবে কোনও মানুষকে হেনস্থা করা ঠিক নয়। বিশ্বভারতীর উপাচার্যকে কড়া আক্রমণও করেন তিনি। তার বিরুদ্ধে মিথ্যে বলার অভিযোগ আনে মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: বাংলার নতুন রাজ্যপাল আর.এন. রবি, নিয়োগ নিয়ে ক্ষোভ মুখ্যমন্ত্রীর

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জমির নথি নিয়ে এসেছি, এটাই সঠিক নথি। আইনত কী করব, সেটা পরে জানাব। মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে আসার পর তাঁকে চা-পানের অনুরোধ করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। প্রতীচীতে মমতাকে সিঙারা, চা, বিস্কুট খেতে দেওয়া হয়। অমর্ত্য সেনের সঙ্গে জমি নিয়ে আলোচনা করেন মমতা। প্রতীচীতে বসেই অমর্ত্য সেনকে জেড প্লাস ক্যাটেগরি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে অমর্ত্য সেনের নিরাপত্তায় বাড়ির বাইরে ক্যাম্প করার কথাও বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: এসআইআর মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

এদিন রাগান্বিত কণ্ঠে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যার পায়ে হাত দিলে নিজেকে গর্বিত মনে হয় তাঁকে কেন হেনস্থা। যে মানুষটা বাংলা ও বিশ্বকে সম্মানিত করেছে তাঁর বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে অভিযোগ, সত্যি নিন্দনীয়। তাঁকে সম্মান জানাতে এসেছিলাম। তাঁকে অশ্রদ্ধা করার কারোর কাম্য নয়। তবে অশ্রদ্ধা করা কিছু মানুষের অভ্যাস। অমর্ত্য সেনের কোনও কিছু অসুবিধা হলে, তা দেখার কর্তব্য আমার মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর।

আরও পড়ুন: ‘১ কোটি ২০ লক্ষ নাম বাদ চলে যাবে’, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অতীতে আমিও বিশ্ব ভারতীর কোর্ট মেম্বার ছিলাম। সত্য জানাতেই আজ এখানে ছুটে আসা।  রাজ্য সরকারের হাতে থাকা তাঁর জমির নথি আমি অমর্ত্য সেনকে দিয়েছি। বিশ্বভারতীকে রবীন্দ্রনাথের চোখে দেখি, গৈরিকীকরণের চোখে নয়। অমর্ত্য সেনের পরিবার যেন  কোনও ভাবে বিবৃত না হন।