উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: গত শুক্রবার এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বের হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার উচ্চ মাধ্যমিকের ফল বার হয়েছে। আর মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকে ও রাজ্যের মধ্যে এক থেকে দশের মধ্যে জায়গা করে নিলো আবার জয়নগর। দুক্ষেত্রেই জায়গা পেয়েছে মজিলপুর জে এম টেনিং স্কুল। জয়নগর মজিলপুর জে এম টেনিং স্কুলের ছাত্র প্রথম দশে স্থান অধিকার করেছে। জয়নগর মজিলপুর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের উওর পাড়ার অরিত্র প্রামানিক ৪৮৭  পেয়ে রাজ্যের মধ্যে দশম স্থান অধিকার করে নিয়েছে।সে ৯৭.৪ শতাংশ নম্বর পেয়ে এ ++ গ্রেড ভুক্ত হয়েছে।অরিত্রের বাবা একটি পেট্রোল পাম্পে কর্মরত  ও মা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কর্মরত ।অরিত্রের জন্ম ২০০৭ সালের ২০ শে ডিসেম্বর।

বাবা তপন প্রামানিক জয়নগরের ময়দার একটি পেট্রোল পাম্পে কর্মরত,  মা সুজাতা প্রামানিক জয়নগর মজিলপুরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় কর্মরত।মা বাবার একমাত্র সন্তান অরিত্র।বাড়িতে মা বাবা ও ঠাকুমা আছে।ছোট বেলা থেকেই লেখাপড়ায় ভালো সে।জয়নগর পাঠভবন স্কুলে প্রাথমিকে পড়াশোনা শুরু অরিত্রের।এর পরে মজিলপুর জে এম ট্রেনিং স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে।প্রতি বছরই সে ক্লাসে ভালো ফল করে আসছে।এদিন রেজাল্ট আউটের পরে উওরপাড়ার বাড়িতে বসে অরিত্র বলে,"আমি আশা করেনি এত ভালো ফল হবে।
আর তাই এই রেজাল্ট হওয়ায় আমি খুশি,  আনন্দিত। আমার এই ফলাফলে সবচেয়ে বড় অবদান আমার মায়ের।তাছাড়া বাবা,ঠাকুমা, পিসেমশাই, মেজজেঠু ও শিক্ষকরা তো আছেই।আমি সায়েন্স নিয়ে  পড়াশোনা করি।আমি আগামী দিনে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই।"৬ জন গৃহ শিক্ষকের কাছে পড়াশোনা তার। সে আঁকা, ক্রিকেট খেলা,পিয়ানো বাজাতে ভালোবাসে।কিন্তু পড়াশোনার চাপে এখন আর সে এদিকে নজর দিতে পারে না।
তবে পড়াশোনার মাঝেই গল্পের বই পড়তে ভালো বাসে। সে বলে, আমি মনে করি ধৈর্য নিয়ে পড়াশোনা করলে তার ফল ভালো হবেই।এদিন এই খবর জানার পর থেকে তার বাড়িতে শুভেচ্ছা জানাতে এলাকা সহ আশেপাশের এলাকা থেকে বহু মানুষজন আসছেন।তার এই সাফল্যে গর্বিত তাঁর ঠাকুমা, বাবা,মা সহ এলাকার মানুষ জন। তার স্বপ্ন পূরণ হোক এটাই চায় তার অভিভাবকরা।আর তার এই খুশিতে আনন্দিত জয়নগর মজিলপুর পৌর এলাকার মানুষ জন।মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে জয়নগর মজিলপুর জে এম ট্রেনিং স্কুলের ধারাবাহিক এই সাফল্য বর্তমান প্রজন্মের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ আর জয়নগর মজিলপুর পৌরসভার কাছে গৌরবের।মাধ্যমিকে জয়নগরের মৈনাক চক্রবর্তী ও উচ্চ মাধ্যমিকের জয়নগরের  অরিত্র প্রামাণিকের এই সাফল্য খুশি এলাকার মানুষ।