গাজা, ২৯ মে: ব্যাপক ধ্বংসলীলা ও গণহত্যার মধ্য দিয়ে গাজার দক্ষিণের রাফাহ শহরের কেন্দ্রস্থল দখল করেছে ইসরাইলি বাহিনী। রাফার কেন্দ্রস্থল আল-আওদা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক, সরকারি ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের দখল নিয়েছে তারা। শহরটি ফিলিস্তিন ও মিশর সীমান্ত থেকে আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, আল-আওদা শহরে কাউকে চলাচল করতে দেখলেই গুলি চালাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা।
আরও পড়ুন:
এদিকে গাজা উপত্যকার দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহ শহরের শরণার্থী শিবিরে জোরদার হামলা শুরু করেছে ইসরাইল।
লাগাতার হামলায় ৩৭ জন ফিলিস্তিনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। বিমান হামলা থেকে ট্যাংক এবং জাহাজ ব্যবহার করে এ হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি সেনা বাহিনী। রাফার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, 'হামলা যখন শুরু হয় তখন অনেক মানুষ ঘুমিয়ে ছিলেন। ফলে শহরটিতে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে কিছু মানুষের আশঙ্কা ছিল ইসরাইল রাফায় স্থল হামলা শুরু করবে। এছাড়াও, দুইটি মসজিদ এবং বেশ কয়েকটি বাড়িতে বোমা হামলা হয়েছে।'আরও পড়ুন:
গাজা শহরগুলোতে হামলার আগে, নাগরিকদের উচ্ছেদে কোনও পরিকল্পনা না করেই তাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরাইল। নেতানিয়াহুর সরকার ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে রাফাহ খালি করার এবং সেখানে মোতায়েন করা চারটি হামাস ব্যাটালিয়ন ধ্বংস করার নির্দেশ দেয়। তারপর থেকেই রাফায় হামলা শুরু করে সেনাবাহিনী।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের হামাস গোষ্ঠী অতর্কিতে হামলা চালিয়ে দক্ষিণ ইসরাইলে প্রায় এক হাজার ২০০ ইসরাইলিকে হত্যা করে। এসময় কমপক্ষে ২৫০ জনকে বন্দি করে নিয়ে যায় তারা। এর প্রেক্ষিতে গাজা উপত্যকায় চালানো ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদিকে গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার মধ্যেই গত মঙ্গলবার ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে স্পেন, আয়ারল্যান্ড এবং নরওয়ে। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইসরাইল।