ঢাকা: সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর, গুজব তুলে যখন বাংলাদেশ সরকারকে তুলোধনা করছে কেউ কেউ, তখন খোদ আমেরিকা বলছে ইউনূস সরকারের আমলেই ভালো আছে বাংলাদেশের সনাতনীরা। বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ মনে করে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের তুলনায় অন্তর্বর্তী সরকার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের বেশি নিরাপত্তা দিচ্ছে। ভয়েস অফ আমেররিকার এই জরিপে দেখা গেছে, ৬৪.১ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন অন্তর্বর্তী সরকার আগের সরকারের তুলনায় সংখ্যালঘুদের বেশি সুরক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে, ১৫.৩ শতাংশ মনে করেন পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে এবং ১৭.৯ শতাংশ মনে করেন পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
আরও পড়ুন:
ভয়েস অফ আমেরিকা বলছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। নাগরিক সমাজ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং নিরাপত্তা বাহিনী উপাসনালয়গুলো রক্ষার জন্য একত্রিত হয়েছিল। সদ্য প্রতিষ্ঠিত গুমবিষয়ক কমিশনের সদস্য নূর খান বলেন, ‘জনগণ, রাজনৈতিক দল ও ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে এক মাসের মধ্যে আমরা উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করেছি।’
আরও পড়ুন:
ঢাকার বাসিন্দা জয়তী সরকার বলেন, ‘১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা কম দামে হিন্দু মালিকানাধীন জমি দখল করেছে অথবা বিক্রি করতে বাধ্য করেছে।
এখন তারা চলে গেছে, সেই দিক থেকে স্বস্তি এসেছে।’ ঢাকার বাসিন্দা ও একটি প্রতিষ্ঠানের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর হীরেন পণ্ডিত সেনা মোতায়েন বৃদ্ধির কারণে গ্রামীণ এলাকায় উন্নত নিরাপত্তার কথা উল্লেখ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১০০ দিন উপলক্ষে দেওয়া এক ভাষণে ড. ইউনূস সহিংসতার জন্য ধর্মীয় উত্তেজনা নয়, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশকে আরও অস্থিতিশীল করতে কিছু ঘটনাকে ধর্মীয় লেবাস দেওয়া হয়েছে।’