ওয়াশিংটন, ২১ ফেব্রুয়ারি: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ তার অজ্ঞাতসংখ্যক কর্মীকে চাকরিচ্যুত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এই কর্মীরা সংস্থাটির রিক্রুটিং ও ডাইভারসিটি নিয়ে কাজ করে থাকেন। সিআইএ-র সাবেক কর্মকর্তারা বলেছেন, সংস্থাটির ইতিহাসে এটিই হবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় কর্মী ছাঁটাইয়ের অন্যতম ঘটনা।
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দেশের কেন্দ্রীয় সরকারের জনশক্তিতে বৈচিত্র্যের সন্নিবেশ ঘটানো বা ডাইভারসিটির প্রচেষ্টা নিষিদ্ধ করে এক নির্বাহী আদেশ জারি করেছেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থায় সম্ভাব্য গণছাঁটাইয়ের ওই উদ্যোগ তাঁর এ আদেশেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক ছুটিতে থাকা কর্মকর্তাদের গত শুক্রবার ডাকতে শুরু করে সিআইএ। এরপর তাদের পদত্যাগ করতে বলা হয়, নয়তো বরখাস্তের শিকার হতে হবে বলে জানানো হয়। তবে দ্রুতই এ পদক্ষেপ স্থগিত করে একটি ফেডারেল আদালত।
আরও পড়ুন:
কর্মীদের এভাবে গণহারে ছাঁটাইয়ের সিআইএর উদ্যোগের ওপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে আগামী সোমবার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট অব ভার্জিনিয়ার একজন বিচারকের শুনানি করার কথা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসা ট্রাম্প আমলাতন্ত্র ছেঁটে ফেলা ও অনুগতদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের লক্ষ্যে এরই মধ্যে হাজারো সরকারি কর্মীকে হয় বরখাস্ত নয়তো দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সিআইএ কর্মীদেরও ‘বাইআউট’ বা আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে চাকরি ছাড়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।