জ্বালানি সংকটের কারণে কিউবায় আবারও জাতীয় বিদ্যুৎব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বারের মতো দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিপর্যয়। শুক্রবার দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা ইউনিয়ন ইলেক্ট্রিকা দে কিউবা এ তথ্য জানিয়েছে।

তবে সর্বশেষ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

এর আগে গত সোমবারও একই ধরনের বিপর্যয়ে পুরো দেশ অন্ধকারে ডুবে যায়। চলতি বছরে এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো জাতীয় পর্যায়ের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ল। এর মধ্যে মার্চ মাসেই দুটি বড় ধরনের ব্ল্যাকআউটের ঘটনা ঘটেছিল।
কিউবা দীর্ঘদিন ধরে জ্বালানি সংকটে ভুগছে।
দেশটির কর্মকর্তারা বারবার অভিযোগ করেছেন, বিদেশি জ্বালানি আমদানিতে বাধা এবং অর্থনৈতিক চাপের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ১৯৬০-এর দশক থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে, যা বিশ্বের দীর্ঘতম নিষেধাজ্ঞাগুলোর অন্যতম।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর কিউবার ওপর চাপ আরও বাড়ানোর নীতি অনুসরণ করছেন। এর অংশ হিসেবে বিদেশি জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যা কিউবার বিদ্যুৎ উৎপাদনে অতিরিক্ত সংকট তৈরি করেছে।

অন্যদিকে, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের অনুমোদন দেয়। কিউবার ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত মাদুরোর সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের প্রেক্ষাপটেও অঞ্চলটির ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।